স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে সুর মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, জিয়াউর রহমানের সময় স্থানীয় নির্বাচন নির্দলীয় করার আইন হয়েছে। এ আইনে পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেছেন, স্থানীয় সব নির্বাচন ভবিষ্যতে দলীয়ভাবে হতে হবে।
আজ সোমবার পীরগঞ্জের জয়সদনে আওয়ামী লীগের এক কর্মিসভায় সজীব ওয়াজেদ জয় স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বিদেশে কোনো নির্বাচনই নির্দলীয় হয় না। সেখানে সব ধরনের নির্বাচন দলীয়ভাবে হয়। ভবিষ্যতে বাংলাদেশেও সব ধরনের নির্বাচন দলীয়ভাবে হবে, এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।
৩ মার্চ রাজধানীর মিরপুরে গোলারটেক মাঠে মিরপুর, শাহ আলী ও দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সৈয়দ আশরাফ বলেছিলেন, ‘যাঁরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে নির্দলীয় রাখতে চান, তাঁরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন না। দলীয় সমর্থনে নির্বাচন হলে স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করা সম্ভব।’ তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্থানীয় সরকার আইন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। তিনি আইনটি সংশোধনের জন্য সংসদে একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করবেন। তবে পরদিন ৪ মার্চ জাতীয় সংসদে লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
নানার (শেখ মুজিবুর রহমান) জন্মদিন উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জে গিয়ে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে একই কথা বললেন জয়। তিনি আরও বলেন, ‘পীরগঞ্জে এসে এই দিন আপনাদের সঙ্গে পালন করতে পেরে আমি আনন্দিত। আমার নানা এ দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন। উনি দেশ স্বাধীন করেছেন। ওনার স্বপ্ন ছিল এ দেশকে অর্থনৈতিকভাবেও স্বাধীন করার। এ দেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার। তিনি স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে জেল খেটেছেন, নিজের প্রাণ দিয়েছেন।’
ছোটবেলার কথা মনে করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘আমার মা (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ) ছোটবেলা থেকে আমাকে ও আমার বোনকে এই শিক্ষাই দিয়েছেন যে, “মনে রাখবে তোমরা এমন একজন মানুষের নাতি যাকে এ বাংলার মানুষ জাতির পিতা বলেন, ভালোবাসেন। তোমরা এমন কিছু করবে না যাতে তোমার নানার সুনাম নষ্ট হয়। মানুষের ভালোবাসা ধরে রাখবে।” আমরা তাই বাবার মতো পড়ালেখা করেছি, বাংলাদেশে কোনো দুর্নীতি, সন্ত্রাসের সঙ্গে আমরা জড়িত হইনি। মহান নেতার নামে কোনো বদনাম হতে দেব না, ছোটবেলা থেকে এটাই আমাদের মনের ইচ্ছা।’
উপজেলা নির্বাচন সম্পর্কে জয় আরও বলেন, উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ভোটে হারেনি, ভোট বেশি পেয়েছে। বিভিন্ন কারণে অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগ পরাজিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আওয়ামী লীগকে কেউ হারাতে পারবে না। তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে সবাই লাভবান হবেন।
কর্মিসভার শুরুতে উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে একমাত্র জয়ী প্রার্থী মোনায়েম সরকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন জয়। সভার শুরুতে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের সভাপতি ও সম্পাদক আলাদাভাবে জয়কে শুভেচ্ছা জানান। পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহারুল হকের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন বিদ্যুত্ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, জাতীয় সংসদের হুইপ সাংসদ ইকবালুর রহিম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস এ কামাল প্রমুখ।
৩ মার্চ রাজধানীর মিরপুরে গোলারটেক মাঠে মিরপুর, শাহ আলী ও দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সৈয়দ আশরাফ বলেছিলেন, ‘যাঁরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে নির্দলীয় রাখতে চান, তাঁরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন না। দলীয় সমর্থনে নির্বাচন হলে স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করা সম্ভব।’ তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্থানীয় সরকার আইন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। তিনি আইনটি সংশোধনের জন্য সংসদে একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করবেন। তবে পরদিন ৪ মার্চ জাতীয় সংসদে লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
নানার (শেখ মুজিবুর রহমান) জন্মদিন উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জে গিয়ে স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে একই কথা বললেন জয়। তিনি আরও বলেন, ‘পীরগঞ্জে এসে এই দিন আপনাদের সঙ্গে পালন করতে পেরে আমি আনন্দিত। আমার নানা এ দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন। উনি দেশ স্বাধীন করেছেন। ওনার স্বপ্ন ছিল এ দেশকে অর্থনৈতিকভাবেও স্বাধীন করার। এ দেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার। তিনি স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে জেল খেটেছেন, নিজের প্রাণ দিয়েছেন।’
ছোটবেলার কথা মনে করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘আমার মা (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ) ছোটবেলা থেকে আমাকে ও আমার বোনকে এই শিক্ষাই দিয়েছেন যে, “মনে রাখবে তোমরা এমন একজন মানুষের নাতি যাকে এ বাংলার মানুষ জাতির পিতা বলেন, ভালোবাসেন। তোমরা এমন কিছু করবে না যাতে তোমার নানার সুনাম নষ্ট হয়। মানুষের ভালোবাসা ধরে রাখবে।” আমরা তাই বাবার মতো পড়ালেখা করেছি, বাংলাদেশে কোনো দুর্নীতি, সন্ত্রাসের সঙ্গে আমরা জড়িত হইনি। মহান নেতার নামে কোনো বদনাম হতে দেব না, ছোটবেলা থেকে এটাই আমাদের মনের ইচ্ছা।’
উপজেলা নির্বাচন সম্পর্কে জয় আরও বলেন, উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ভোটে হারেনি, ভোট বেশি পেয়েছে। বিভিন্ন কারণে অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগ পরাজিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আওয়ামী লীগকে কেউ হারাতে পারবে না। তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে সবাই লাভবান হবেন।
কর্মিসভার শুরুতে উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে একমাত্র জয়ী প্রার্থী মোনায়েম সরকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন জয়। সভার শুরুতে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের সভাপতি ও সম্পাদক আলাদাভাবে জয়কে শুভেচ্ছা জানান। পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহারুল হকের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন বিদ্যুত্ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, জাতীয় সংসদের হুইপ সাংসদ ইকবালুর রহিম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস এ কামাল প্রমুখ।
0 comments:
Post a Comment