Sporty Magazine official website |

বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও আদর্শে শিশুরা বেড়ে উঠবে

Monday, March 17, 2014

Share this history on :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার আদর্শকে ধারণ করে তার অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিশুদের গড়ে ওঠার আহবান জানিয়ে বলেছেন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদক থেকে জাতিকে দূরে রাখতে চাই। এসব মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায় । জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদককে না বলতে হবে।

জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শেষে জাতীয় শিশু দিবস-২০১৪ উপলক্ষে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি একথা বলেন।

শিশুদের উদ্দেশ্যে প্রধান মন্ত্রী বলেন, জঙ্গি, সন্ত্রাস ও মাদককে বর্জন করে তোমরা লেখাপড়া, খেলাধূলা ও সংস্কৃতি চর্চার মধ্য দিয়ে মানুষের মত মানুষ হয়ে দেশের সেবা কবরে। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করবে। সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। জঙ্গি,সন্ত্রাস ও মাদক মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। শিশুর নিরাপদ উন্নত জীবনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। 

শিশু লুবাইনা রুবাব সাফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিশু ও মহিলা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, শিশু শাহরিয়ার আলম মাহিন প্রমুখ। 

শিশুদের কল্যাণে আরো কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আর কোন শিশুই রাসেলের মতো নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হবে না। কোন শিশুই না খেয়ে দিন রাত কাটবে না। নিরক্ষর থাকবে না। শিশুরা নিরাপদ ও সুন্দর জীবন পাবে। তাদেরকে আদর স্নেহ দিয়ে বড় করুন। বড় হয়ে যেন তারা সত্যিকার দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারে। 

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শিশুদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে ১৯৭৪ সালে শিশু আইন প্রনয়ণ করেন। প্রথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক করেন। আমরা ২০১১ সালে শিশুনীতি প্রনয়ণ করেছি। শিশুির শারিরীক, মানসিক নির্যাতন ও বৈষম্য বন্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। শিশুদের জন্য প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়েছি। বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় খেলার সরঞ্জাম ও বিনোদনের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আমরা প্রাথমিক শিক্ষাকে ৮ম শ্রেনীতে উন্নিত করে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করেছি। শতভাগ শিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছি। পড়া শোনার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধূলা ও সাংস্কৃতি চর্চার ব্যবস্থা করেছি। সৃজনশীলতার বিকাশে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, নাট্য প্রতিযোগিতা ও উত্সবের আয়োজন করে চলেছি। শিশুদের জন্য জাতির পিতার জীবন কর্ম ভিত্তিক ২৫ টি গ্রন্থ প্রকাশ করেছি। পথশিশু, ঝুকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশু ,ঝরেপড়া শিশুদের কল্যাণে আর্থিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী শিশুদের কল্যাণে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছি। কারাগারে আটক শিশুদের সংশোধন ও পুনর্বাসন করার মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। 

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী মার্চ মাসকে বাঙ্গালীর গুরুত্বপূর্ণ মাস হিসেবে বর্ননা করে বলেন, এ মাসেই বঙ্গবন্ধু জম্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ৭১ এ বাঙ্গালীর গৌরবের এ মাসের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতার ডাক দিয়ে ছিলেন। ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। মার্চেই তার নেতৃত্বে ২৩ বছরের সংগ্রাম ৯ মাসের যুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমর স্বাধীনতা পেয়েছি। শিশুদের মুক্তি যুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে পাঠ্য পুস্তকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংযোজন করা হয়েছে। শিশুরা নির্মল স্বচ্ছ ও পবিত্র হূদয় দিয়ে বাংলাদেশকে দেখবে। মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের জানবে।

প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি ২০২১ ও ২০৪১ রূপকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আগামী প্রজম্মের জন্য একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তোলার আহবান জানিয়ে বলেন, আমাদের বর্তমানকে আমরা শিশুদের জন্য উত্সর্গ করি। আসুন মেধা মননে সেরা একটি আগামী প্রজম্ম গড়ে তুলি।
Thank you for visited me, Have a question ? Contact on : youremail@gmail.com.
Please leave your comment below. Thank you and hope you enjoyed...

0 comments:

Post a Comment