
প্রত্যক্ষদর্শী, ভুক্তভোগী, স্কুল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ সূত্র জানায়, ইউনিক এডুকেয়ার স্কুলের সরকারি অনুমোদন নেই। এ কারণে ওই স্কুলের শিক্ষার্থীদের টঙ্গীর মুন্নু টেক্সটাইল মিল উচ্চবিদ্যালয় থেকে নিবন্ধন করিয়ে চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা করে কর্তৃপক্ষ। ইউনিক এডুকেয়ার স্কুলের আট শিক্ষার্থী আজ টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড গার্লস কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। কিন্তু প্রবেশপত্র না পাওয়ায় একই স্কুলের শিক্ষার্থী মো. ফরহাদ হোসেন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।
এ ঘটনার পর পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে কান্নাকাটি করতে থাকেন ফরহাদের মা রওশন আরা বেগম। সেখানে উপস্থিত শতাধিক অভিভাবক ঘটনা জানতে পেরে ইউনিক এডুকেয়ার স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুল মালেককে মারধর করেন। পরে পরীক্ষাকেন্দ্রে থাকা পুলিশ সদস্যরা আবদুল মালেককে উদ্ধার করে টঙ্গী মডেল থানায় নিয়ে যান।
রওশন আরা বেগমের অভিযোগ, শিক্ষকদের দাবি অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা দেওয়া সত্ত্বেও তাঁর ছেলে প্রবেশপত্র পায়নি। স্কুল কর্তৃপক্ষের বোর্ডে টাকা জমা না দেওয়ার কারণেই এমনটা হয়েছে।
থানায় অবস্থানকালে আবদুল মালেক বলেন, অন্য পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র এসেছে। কিন্তু ফরহাদের প্রবেশপত্র না আসার কারণ তাঁর জানা নেই।
টঙ্গী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন জানিয়েছেন, উভয় পক্ষকে নিয়ে বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা চলছে।
এদিকে টঙ্গীর ডেফোডিল স্কুলের চারজন শিক্ষার্থী আজ এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। ওই শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা সংশ্লিষ্ট স্কুলের মূল ফটকে বিক্ষোভ ও পরে ভাঙচুর চালিয়েছেন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মোরশেদ আলম এরশাদের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। পরে স্কুলটির শিক্ষক হাসনাত মামুন দাবি করেন, অন্য স্কুলের ফেল করা চারজন শিক্ষার্থীকে অর্থের বিনিময়ে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু বোর্ড থেকে অনুমতি পাওয়া যায়নি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এভাবেই কথা হয়েছিল।
0 comments:
Post a Comment