
সরকারের তৃতীয় মেয়াদেও সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাসদর অফিসার্স মেসে বছরের প্রথম জেনারেলস কনফারেন্সে ভাষণ দেওয়ার সময় এ ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানে হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারপ্রধান হিসেবে গত দুই মেয়াদে আমি আমার সাধ্য মোতাবেক সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়ন করার চেষ্টা করেছি। যাতে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সেনাবাহিনী মাথা উঁচু করে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয়। আমাদের সরকারের তৃতীয় মেয়াদেও উন্নয়েনর এ ধারা অব্যাহত থাকবে এবং আগামীতে আরও আধুনিক সেনাবাহিনীর জন্য যা যা প্রয়োজন তার ব্যবস্থা করতে আমি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।’ তাঁর সরকারের আমলে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানে হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারপ্রধান হিসেবে গত দুই মেয়াদে আমি আমার সাধ্য মোতাবেক সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়ন করার চেষ্টা করেছি। যাতে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সেনাবাহিনী মাথা উঁচু করে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয়। আমাদের সরকারের তৃতীয় মেয়াদেও উন্নয়েনর এ ধারা অব্যাহত থাকবে এবং আগামীতে আরও আধুনিক সেনাবাহিনীর জন্য যা যা প্রয়োজন তার ব্যবস্থা করতে আমি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।’ তাঁর সরকারের আমলে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার জন্য ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি আরও বলেন, ‘এই নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফলভাবে অনুষ্ঠিত করায় অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সেনাবাহিনীও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। নির্বাচনকালীন অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে দেশের সব জেলায় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি জনমনে স্বস্তি এনে দিয়েছিল। জনগণ নির্ভয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়েছে।’
সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে সুসংহত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে হুমকি মোকাবিলায় সর্বদা সজাগ ও প্রস্তুত থাকার আহ্বান হবান জানান শেখ হাসিনা।
এর আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী সেনাসদর অফিসার্স মেসে এসে পৌঁছালে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক ও সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া।
কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন এবং তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব শেখ মো. ওয়াহিদ-উজ-জামান ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে সুসংহত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে হুমকি মোকাবিলায় সর্বদা সজাগ ও প্রস্তুত থাকার আহ্বান হবান জানান শেখ হাসিনা।
এর আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী সেনাসদর অফিসার্স মেসে এসে পৌঁছালে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক ও সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া।
কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন এবং তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব শেখ মো. ওয়াহিদ-উজ-জামান ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
0 comments:
Post a Comment