
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি এ বি এম আলতাফ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারির পাশাপাশি এ আদেশ দেন।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে ওই কমিটিতে থাকবেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার।
‘২০ কিশোরের ভয়ংকর প্রতিবাদ’ শিরোনামে আজ প্রথম আলোয় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এটি আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান ও পরে প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত রায়। তিনি জানান, রুলে ওই কিশোর সংশোধন কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
মো. আসাদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, অব্যবস্থাপনা কেন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশ প্রহরায় থেকে কীভাবে ওই ঘটনা ঘটল, তা তদন্তের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন আদালত।
রুলে সমাজকল্যাণসচিব, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, ওই কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়কসহ সাত বিবাদীকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব বলা হয়েছে। আগামী ৩ মার্চ পরবর্তী আদেশের জন্য বিষয়টি কার্যতালিকায় আসবে।
গত মঙ্গলবার রাতে নিজেদের দেহ ধারালো ব্লেডজাতীয় অস্ত্রে ক্ষতবিক্ষত করেছে তারা। হাসপাতালে তারা চিকিত্সক ও সেবিকাদের বলেছে, ঠিকমতো খাবার না দেওয়ায় এবং নির্যাতন করার প্রতিবাদ হিসেবে তারা এ কাজ করেছে।
তবে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বলছে, এক কিশোরের কফ সিরাপ খাওয়া নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। জানালার বা টিউবলাইটের ভাঙা কাচ দিয়ে তারা শরীর ক্ষতবিক্ষত করেছে
0 comments:
Post a Comment