
শ্রম অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেছেন, ‘আসেন, আমরা একটু ভালো হয়ে যাই। একটু সিনসিয়ার (দায়িত্বশীল) হই। তাহলে আমাদের অনেক উপকার হবে।’
আজ বুধবার রাজধানীর একটি পাঁচতারা হোটেলে আয়োজিত সংশোধিত শ্রম আইন বিষয়ে দুই দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শ্রম প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন অধিদপ্তরের ৩০ জন কর্মকর্তা।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, ‘প্রশিক্ষণ নিতে এসেছেন, নেন। ভালো কথা। তবে আল্লাহর ওয়াস্তে দায়িত্ব পালন করেন। শ্রম আইন মুখস্থ করে কোনো লাভ নাই। দায়িত্ব পালন করেন। বাস্তবায়ন করেন। আমাদের মালিক ও শ্রমিক উভয়েই ভালো। শুধু দুই পক্ষের মধ্যে একটু মিলমিশ করে দিলেই হয়।’
শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রানা প্লাজার কারখানাগুলোর লে-আউট দেওয়ার পর চার বছরে কারখানা পরিদর্শকেরা সেখানে যাননি। এর মধ্যে অনুমতি না নিয়ে ভারী ভারী যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়। আমি সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তাকে ডেকে জানতে চেয়েছিলাম। তাঁরা বলেছেন, লোকবলের সংকটের কারণে যেতে পারেননি। কিন্তু তাঁদেরই দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৫০০ কারখানার বিপরীতে ১০ জন কর্মকর্তা আর কর্মদিবস হিসাব করে দেখা গেল, ছয় মাসে একটি কারখানায় যেতে পারেন কারখানা পরিদর্শকেরা।’
আজ বুধবার রাজধানীর একটি পাঁচতারা হোটেলে আয়োজিত সংশোধিত শ্রম আইন বিষয়ে দুই দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শ্রম প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। এতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন অধিদপ্তরের ৩০ জন কর্মকর্তা।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, ‘প্রশিক্ষণ নিতে এসেছেন, নেন। ভালো কথা। তবে আল্লাহর ওয়াস্তে দায়িত্ব পালন করেন। শ্রম আইন মুখস্থ করে কোনো লাভ নাই। দায়িত্ব পালন করেন। বাস্তবায়ন করেন। আমাদের মালিক ও শ্রমিক উভয়েই ভালো। শুধু দুই পক্ষের মধ্যে একটু মিলমিশ করে দিলেই হয়।’
শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রানা প্লাজার কারখানাগুলোর লে-আউট দেওয়ার পর চার বছরে কারখানা পরিদর্শকেরা সেখানে যাননি। এর মধ্যে অনুমতি না নিয়ে ভারী ভারী যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়। আমি সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তাকে ডেকে জানতে চেয়েছিলাম। তাঁরা বলেছেন, লোকবলের সংকটের কারণে যেতে পারেননি। কিন্তু তাঁদেরই দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৫০০ কারখানার বিপরীতে ১০ জন কর্মকর্তা আর কর্মদিবস হিসাব করে দেখা গেল, ছয় মাসে একটি কারখানায় যেতে পারেন কারখানা পরিদর্শকেরা।’
মুজিবুল হক আরও বলেন, ‘জনবল কম একটা বাহানা। কারখানা পরির্দশকেরা যদি নিয়মিত কারখানায় যেতেন এবং মালিকদের সঙ্গে কথা বলতেন, তাহলে হয়তো এত বড় দুর্ঘটনা ঘটত না।’
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে অনেক ভালো ভালো আইন আছে। কিন্তু ইমপ্লিমেন্ট (বাস্তবায়ন) নাই। মালিক ও শ্রমিকদের পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি করেন, দেখবেন আইন আপনা-আপনি বাস্তবায়িত হবে।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শ্রমসচিব মিকাইল শিপার, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) এ দেশীয় পরিচালক শ্রীনিবাস রেড্ডি, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি আতিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন শ্রম পরিচালক আবু সাঈদ মো. খোরশিদুল আলম।
শ্রম অধিদপ্তরের সহযোগিতায় কর্মকর্তাদের জন্য এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে আইএলও। অর্থায়ন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম দপ্তর।
0 comments:
Post a Comment