
ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়া সাতজনকেই ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তামিলনাড়ুর রাজ্য সরকার।
টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আজ বুধবার রাজ্যসভায় এ ঘোষণা দেন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা। সকালে মন্ত্রিসভার এক জরুরি বৈঠকে রাজীব গান্ধীকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত সাতজনকেই ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এঁদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া মুরুগান, সান্থান ও পেরারিভালানের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে গতকাল মঙ্গলবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মওকুফ করে আসামিদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি তামিলনাড়ু রাজ্য সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রধান বিচারপতি পি সদাশিবমের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট ওই তিন খুনিকে মৃত্যুদণ্ড মওকুফের পক্ষে যুক্তি দেন, তাঁদের প্রাণভিক্ষার আবেদনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে ভারতের একাধিক রাষ্ট্রপতি ১১ বছর সময় নিয়েছিলেন।
টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আজ বুধবার রাজ্যসভায় এ ঘোষণা দেন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা। সকালে মন্ত্রিসভার এক জরুরি বৈঠকে রাজীব গান্ধীকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত সাতজনকেই ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এঁদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া মুরুগান, সান্থান ও পেরারিভালানের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে গতকাল মঙ্গলবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মওকুফ করে আসামিদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি তামিলনাড়ু রাজ্য সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রধান বিচারপতি পি সদাশিবমের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট ওই তিন খুনিকে মৃত্যুদণ্ড মওকুফের পক্ষে যুক্তি দেন, তাঁদের প্রাণভিক্ষার আবেদনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে ভারতের একাধিক রাষ্ট্রপতি ১১ বছর সময় নিয়েছিলেন।
এ ছাড়া বাকি চারজন নলিনী, রবার্ট পায়াস, জয়াকুমার ও রবিচন্দ্রন বর্তমানে যাবজ্জীবন করাদণ্ড ভোগ করছেন। রাজীব গান্ধীর স্ত্রী সোনিয়া গান্ধীর হস্তক্ষেপে আগেই মুরুগানের স্ত্রী নলিনীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমানো হয়েছে। দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা শ্রীলঙ্কাভিত্তিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন লিবারেশন টাইগার অব তামিল ইলমের (এলটিটিই) সদস্য।
আদালতের এই আদেশের পর আজ জয়ললিতার সরকার রাজীব গান্ধীকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত সবাইকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল।
দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুতে এক নির্বাচনী জনসভায় তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় ২৩ বছর আগে ১৯৯১ সালে রাজীব গান্ধী নিহত হন। ১৯৮৭ সালে শ্রীলঙ্কায় ভারতীয় শান্তিরক্ষী পাঠানোর ঘটনায় রাজীবের ওপর অসন্তুষ্ট হয়ে তামিল বিদ্রোহীরা ওই হামলা চালায়।
অবশ্য ওই ঘটনার জন্য ২০০৬ সালে তারা ‘দুঃখ প্রকাশ’ করে। শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী ২০০৯ সালে তামিল বিদ্রোহীদের চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে।
0 comments:
Post a Comment