
বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার ওই মামলায় তিন আসামির জামিন আবেদনের শুনানিকালে এ আদেশ দেন।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজাবাজারের নিজ বাসা থেকে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনির লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় ১২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন রুনির ভাই নওশের আলম।
আদালত সূত্র জানায়, ওই মামলায় বকুল মিয়া, রফিকুল ইসলাম ও কামরুল হাসান ওরফে অরুণকে ১০ অক্টোবর গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তিন আসামি গত বছরের সেপ্টেম্বরে হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন। এ আবেদনের শুনানিকালে গতকাল আদালত ওই আদেশ দেন।
আদালতে জামিনের আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম মাসুদ হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল গাজী মো. মামুনুর রশীদ।
আইনজীবী এস এম মাসুদ হোসেন পরে প্রথম আলোকে বলেন, দুই বছরেও মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়নি। মামলার তদন্তের অবস্থা জানাতে ৫ মার্চ র্যাবের দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তাকে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। র্যাবের ডিজিকে ওই কর্মকর্তার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। আসামিদের জামিনের আবেদন বিচারাধীন রয়েছে।
প্রথমে এ মামলার তদন্ত শুরু করেছিল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ৬২ দিনের মাথায় (২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল) হাইকোর্টে ব্যর্থতা স্বীকার করে ডিবি। এরপর আদালতের নির্দেশে তদন্তভার নেয় র্যাব। তারা ভিসেরা পরীক্ষার জন্য সাগর-রুনির লাশ কবর থেকে তোলে। ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী নিহত দম্পতির শিশুপুত্র মাহীর সরওয়ারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাগরের কর্মস্থল মাছরাঙা টেলিভিশন আর রুনির কর্মস্থল এটিএন বাংলার কার্যালয়ে গিয়েও খোঁজাখুঁজি হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে শতাধিক ব্যক্তিকে।
0 comments:
Post a Comment