
ভোট কারচুপি, ভোটদানে বাধা প্রদান ও বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে এন্টেদের বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষনা দিয়েছে ৫ প্রার্থী। এরা হলেন বরিশালের গৌরনদী, ভোলার লালমোহন ও শরীয়তপুরের গোসাইনহাট উপজেলার বিএনপি সমর্থিত ও বিদ্রোহী প্রার্থী।
গৌরনদী উপজেলায় ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি সমর্থিত ও বিদ্রোহী তিন প্রার্থী। তারা হলেন- বিএনপি সমর্থিত চেয়্যারম্যান প্রার্থী আবুল হোসেন মিয়া ও বিদ্রোহী প্রার্থী লোকমান হোসেন খান এবং একই দলের বিদ্রোহী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী জহির সাজ্জাদ হান্নান।
বুধবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে জেলার গৌরনদী প্রেসক্লাব চত্বরে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট কারচুপি এবং এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে সাংবাদিকদের কাছে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন ওই প্রার্থীরা। এর প্রতিবাদে কাল গৌরনদী উপজেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে স্থানীয় বিএনপি।
এদিকে ভোলার লালমোহন উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আকতারুজ্জামান টিটব ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে তিনি অভিযোগ করে জানান, বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে সরকার দলীয় সমর্থকরা প্রভাববিস্তার করে ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দিচ্ছেন এবং তার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিচ্ছেন।
অপরদিকে সরকারদলীয় প্রার্থীর সমর্থকরা ভোট কারচুপি ও এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগে শরীয়তপুরের গোসাইনহাট উপজেলা বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী শাহেদ পারভেজ আব্বাস মোল্লা নির্বাচন বর্জন করেছেন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুন্নাহারের কাছে এ অভিযোগে দিয়ে তিনি নির্বাচন বর্জন করেন।
আব্বাস মোল্লা লিখিত অভিযোগে বলেন, সরকারদলীয় সমর্থকরা বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে আমার এজেন্টদের বের করে দিয়ে ভোট কারচুপি করছে।
এরপর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহিতুল গনি মিন্টু সরদার সাংবাদিকদের বলেন, সরকার দলীয় প্রার্থীর সমর্থকরা বিএনপির প্রার্থীর এজেন্টদের মারধর করে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে ভোট কারচুপি করছে।
0 comments:
Post a Comment