নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার রাজাপুর বাজারে একটি ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক ও আয়ার হাতে অ্যাপেনডিসাইটিসের অস্ত্রোপচারের পর এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে গৃহবধূর স্বামীর সঙ্গে সমঝোতা করে।
বড়াইগ্রাম থানা ও এলাকাবাসী জানান, গত শনিবার বিকেলে পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের দিনমজুর রঞ্জু মিয়ার স্ত্রী ফরিদা বেগমের (১৮) পেটের ব্যথা হলে তাঁকে বড়াইগ্রামের গোপালপুর ইউনিয়নের রাজাপুর বাজারের ছায়াপথ ক্লিনিকে আনা হয়। ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক তুহিন হোসেন (৩৬) নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে জানান, ফরিদার অ্যাপেনডিসাইটিসের অস্ত্রোপচার করাতে হবে। ওই দিন রাতেই তুহিন ও ক্লিনিকের আয়া শাহারা বেগম ফরিদার অস্ত্রোপচার করেন। কিন্তু অস্ত্রোপচার শেষে ফরিদা যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন। তাঁর শরীরে সেলাইয়ের স্থান দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। রোববার সকালে ফরিদা চিৎকার করতে থাকলে শাহারা বেগম তাঁকে চড় দেন। এ অবস্থায় বেলা ১১টার দিকে ফরিদা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ক্লিনিকের কাজকর্ম বন্ধ করে দেন। এ সময় বড়াইগ্রাম থানার পুলিশ এসে ঘটনার খোঁজখবর নেয়।
ঘটনার পর থেকে তুহিন ও শাহারা পালিয়ে যান। তুহিনের বাবা ও ক্লিনিকের মালিক আনোয়ার হোসেন ফরিদার স্বজনদের সঙ্গে আপসের উদ্যোগ নেন। এ নিয়ে রোববার রাত ১০টা পর্যন্ত ওই ক্লিনিকে দফায় দফায় সালিস বসে। একপর্যায়ে ফরিদার স্বামীকে ৭০ হাজার টাকা দিয়ে ঘটনার মীমাংসা করা হয়।
এক দিন বন্ধ থাকার পর গতকাল সোমবার থেকে ওই ক্লিনিক আবার চালু করা হয়েছে। দুপুরে সেখানে গিয়ে কয়েকজন আয়াকে দেখা গেলেও কোনো চিকিৎসক ও মালিকের দেখা মেলেনি। রোগীর মৃত্যু ও অস্ত্রোপচারের ব্যাপারে আয়ারা কোনো কথা বলতেও রাজি হননি।
ফরিদার স্বামী রঞ্জু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘মাত্র ছয় মাস আগে ফরিদার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছে। পেটের ব্যথার চিকিৎসার জন্য ওকে (ফরিদা) এই ক্লিনিকে আনছিলাম। লোকজনের চাপাচাপিতে ৭০ হাজার টাকা নিয়ে আপস করিছি।’
গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান বলেন, কোনো ডাক্তার ছাড়াই ক্লিনিকের ম্যানেজার নিজেই অস্ত্রোপচার করার ফলে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আবার রাতে টাকা দিয়ে বিষয়টির মীমাংসাও হয়েছে।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক তুহিন মিয়া ৭০ হাজার টাকায় আপসের কথা স্বীকার করেন। তবে অস্ত্রোপচার তিনি নিজে করেননি বলে দাবি করেন। কে অস্ত্রোপচার করেছেন, সে ব্যাপারেও তিনি কোনো কথা বলেননি।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহামঞ্চদ ইব্রাহিম বলেন, ‘রঞ্জু মিয়া রোববার সন্ধায় থানায় মামলা করতে এসে মামলা না করেই ফিরে গেছেন। পরে টাকার বিনিময়ে আপস করেছেন বলে শুনেছি।’
নাটোরের সিভিল সার্জন রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর ব্যাপারে কেউ আমার কাছে অভিযোগ করেননি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’
বড়াইগ্রাম থানা ও এলাকাবাসী জানান, গত শনিবার বিকেলে পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের দিনমজুর রঞ্জু মিয়ার স্ত্রী ফরিদা বেগমের (১৮) পেটের ব্যথা হলে তাঁকে বড়াইগ্রামের গোপালপুর ইউনিয়নের রাজাপুর বাজারের ছায়াপথ ক্লিনিকে আনা হয়। ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক তুহিন হোসেন (৩৬) নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে জানান, ফরিদার অ্যাপেনডিসাইটিসের অস্ত্রোপচার করাতে হবে। ওই দিন রাতেই তুহিন ও ক্লিনিকের আয়া শাহারা বেগম ফরিদার অস্ত্রোপচার করেন। কিন্তু অস্ত্রোপচার শেষে ফরিদা যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকেন। তাঁর শরীরে সেলাইয়ের স্থান দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। রোববার সকালে ফরিদা চিৎকার করতে থাকলে শাহারা বেগম তাঁকে চড় দেন। এ অবস্থায় বেলা ১১টার দিকে ফরিদা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ক্লিনিকের কাজকর্ম বন্ধ করে দেন। এ সময় বড়াইগ্রাম থানার পুলিশ এসে ঘটনার খোঁজখবর নেয়।
ঘটনার পর থেকে তুহিন ও শাহারা পালিয়ে যান। তুহিনের বাবা ও ক্লিনিকের মালিক আনোয়ার হোসেন ফরিদার স্বজনদের সঙ্গে আপসের উদ্যোগ নেন। এ নিয়ে রোববার রাত ১০টা পর্যন্ত ওই ক্লিনিকে দফায় দফায় সালিস বসে। একপর্যায়ে ফরিদার স্বামীকে ৭০ হাজার টাকা দিয়ে ঘটনার মীমাংসা করা হয়।
এক দিন বন্ধ থাকার পর গতকাল সোমবার থেকে ওই ক্লিনিক আবার চালু করা হয়েছে। দুপুরে সেখানে গিয়ে কয়েকজন আয়াকে দেখা গেলেও কোনো চিকিৎসক ও মালিকের দেখা মেলেনি। রোগীর মৃত্যু ও অস্ত্রোপচারের ব্যাপারে আয়ারা কোনো কথা বলতেও রাজি হননি।
ফরিদার স্বামী রঞ্জু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘মাত্র ছয় মাস আগে ফরিদার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছে। পেটের ব্যথার চিকিৎসার জন্য ওকে (ফরিদা) এই ক্লিনিকে আনছিলাম। লোকজনের চাপাচাপিতে ৭০ হাজার টাকা নিয়ে আপস করিছি।’
গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান বলেন, কোনো ডাক্তার ছাড়াই ক্লিনিকের ম্যানেজার নিজেই অস্ত্রোপচার করার ফলে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আবার রাতে টাকা দিয়ে বিষয়টির মীমাংসাও হয়েছে।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক তুহিন মিয়া ৭০ হাজার টাকায় আপসের কথা স্বীকার করেন। তবে অস্ত্রোপচার তিনি নিজে করেননি বলে দাবি করেন। কে অস্ত্রোপচার করেছেন, সে ব্যাপারেও তিনি কোনো কথা বলেননি।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহামঞ্চদ ইব্রাহিম বলেন, ‘রঞ্জু মিয়া রোববার সন্ধায় থানায় মামলা করতে এসে মামলা না করেই ফিরে গেছেন। পরে টাকার বিনিময়ে আপস করেছেন বলে শুনেছি।’
নাটোরের সিভিল সার্জন রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর ব্যাপারে কেউ আমার কাছে অভিযোগ করেননি। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’
0 comments:
Post a Comment