
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা নদীতে ডাকাত দলের সঙ্গে টহল পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় নিখোঁজ কনস্টেবল আবদুল মালেকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে ডুবুরি দল নদী থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে।
এ সংঘর্ষে চার পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলার শেখেরগাঁওয়ে মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন গজারিয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) প্রদীপ কুমার, কনস্টেবল শামীম মিয়া, ইব্রাহীম ও ফারুক। এর মধ্যে প্রথম তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফারুককে প্রাথমিক চিকিত্সা দেওয়া হয়।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই মো. মনির জানান, প্রদীপ ও ইব্রাহীমের অবস্থা গুরুতর। প্রদীপের মাথায় ১০টি ও ইব্রাহীমের মাথায় তিনটি সেলাই লেগেছে। এ ছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
ডুবুরি দলের প্রধান ঢাকার সিদ্দিকবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ব্যবস্থাপক আরিফুল ইসলাম জানান, সকাল সাতটা থেকে তল্লাশি চালিয়ে সোয়া ১০টায় লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাত-আটজনের একটি ডাকাত দল ওই নদীপথ দিয়ে ইঞ্জিন নৌকায় করে যাওয়ার সময় টহল পুলিশের দায়িত্বরত একটি দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় ও সংঘর্ষ হয়। এতে ওই চার পুলিশ সদস্য আহত ও একজন নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।
গজারিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফরিদউদ্দিন জানান, পুলিশ ও ডাকাতদের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়েছে। পুলিশ তিনটি গুলি ছুড়েছে। ডাকাতদের মধ্যে দু-একজন নদীতে পড়ে গিয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্য ডাকাতরা নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
0 comments:
Post a Comment