ছোটবেলায় সুচিত্রা সেনের ছবি দেখতাম। ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর কাছেই ছিল ‘রূপমহল’ সিনেমা হল। এখানেই প্রথম সুচিত্রা সেনের সিনেমা দেখি। পুরানা পল্টনের বাসায় আসার পর আমাদের চোখের সামনেই তৈরি হয় গুলিস্তান সিনেমা হল। এই হলেও সে সময় সুচিত্রা সেন অভিনীত ছবি মুক্তি দেওয়া হত। এখানে মুক্তি পাওয়া প্রায় সবগুলো ছবিই দেখতাম। গুলিস্তান হলে আমার দেখা প্রথম ছবিটি হচ্ছে ‘পথে হলো দেরি’।
আব্বা-আম্মারও খুব প্রিয় অভিনয়শিল্পী ছিলেন উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেন। তাঁরা অনেক সিনেমাই দেখতেন। হলে যে ছবিগুলো মুক্তি পেত সেগুলো প্রথমে আব্বা-আম্মা দেখে আসতেন। এরপর টিকিট কেটে দিতেন আমাকে ও আব্বাসী ভাইকে দেখতে যাওয়ার জন্য।
উত্তম-সুচিত্রা জুটির ছবিগুলোতে অনেক গান থাকতো। আর সবগুলো গানও দারুণ শ্রুতিমধুর যেগুলোর বেশির ভাগ গানে কণ্ঠ দিতেন সন্ধ্যা মুখার্জি। তিনি আব্বার খুবই পছন্দের গায়িকা ছিলেন। আস্তে আস্তে তিনি আমারও খুবই পছন্দের একজন শিল্পী হয়ে ওঠেন। ছবির গানের সঙ্গে সুচিত্রা সেনের ঠোঁট মেলানোটা ছিল অসাধারণ। দেখলে মনে হতো গানগুলো বুঝি সুচিত্রা সেনই গাইছেন। সুচিত্রা সেন এবং সন্ধ্যা মুখার্জির মধ্যে অদ্ভুত একটা সমন্বয় ছিল।
ঢাকায় সে সময় সুচিত্রার যত ছবি মুক্তি পেত কোনোটাই বাদ দিতাম না। সবগুলো ছবির নাম এই মুহূর্তে মনে করতে পারছি না। কিন্তু বেশির ভাগ ছবিই কয়েকবার করে দেখা হয়েছে। ‘অগ্নিপরীক্ষা’, ‘পথে হলো দেরি’ তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য। এই দুটি ছবি আমার অনেক বেশি ভালো লেগেছে। বলতে পারি, এই ছবি দুটি আমার মনে দাগ কেটে আছে।
কলকাতায় গিয়েও সুচিত্রা সেনের অনেকগুলো ছবি দেখেছি। তখন সুচিত্রা সেন বেশ পরিণত। সেই ছবিগুলোও আমার দারুণ লেগেছে। সুচিত্রা সেন এমন একজন অভিনয়শিল্পী, যার তুলনা তিনি নিজেই। তা না হলেও, অন্তরালে যাওয়ার এত বছর পর একজন মানুষ কীভাবে জায়গা নিয়ে থাকেন তা সত্যিই অবিশ্বাস্য।
আমার খুব অবাক লাগে এই ভেবে যে, আলোচিত অভিনেত্রী হওয়া সত্ত্বেও হঠাত্ করেই কাউকে কোনো কিছু না জানিয়ে কেন তিনি লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে গেলেন! এটা কিন্তু অনেক বড় একটা ত্যাগ।
সুচিত্রা সেনের যে কোনো অভিনয়ই আমার ভালো লাগতো। তিনি আমার কাছে অনবদ্য। আমার জীবনে খুব কম নায়িকাকে এত ভালো লেগেছে, যতটা লেগেছে সুচিত্রা সেনকে। উত্তম-সুচিত্রার মধ্যে অদ্ভুত একটা ক্যারিশমা ছিল। এরপর অনেক জুটি তৈরি হলেও সেভাবে ভালো লাগার জন্ম দিতে পারেনি। রোমান্টিক চলচ্চিত্রের আদর্শ জুটি উত্তম-সুচিত্রা।
আব্বা-আম্মারও খুব প্রিয় অভিনয়শিল্পী ছিলেন উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেন। তাঁরা অনেক সিনেমাই দেখতেন। হলে যে ছবিগুলো মুক্তি পেত সেগুলো প্রথমে আব্বা-আম্মা দেখে আসতেন। এরপর টিকিট কেটে দিতেন আমাকে ও আব্বাসী ভাইকে দেখতে যাওয়ার জন্য।
উত্তম-সুচিত্রা জুটির ছবিগুলোতে অনেক গান থাকতো। আর সবগুলো গানও দারুণ শ্রুতিমধুর যেগুলোর বেশির ভাগ গানে কণ্ঠ দিতেন সন্ধ্যা মুখার্জি। তিনি আব্বার খুবই পছন্দের গায়িকা ছিলেন। আস্তে আস্তে তিনি আমারও খুবই পছন্দের একজন শিল্পী হয়ে ওঠেন। ছবির গানের সঙ্গে সুচিত্রা সেনের ঠোঁট মেলানোটা ছিল অসাধারণ। দেখলে মনে হতো গানগুলো বুঝি সুচিত্রা সেনই গাইছেন। সুচিত্রা সেন এবং সন্ধ্যা মুখার্জির মধ্যে অদ্ভুত একটা সমন্বয় ছিল।
ঢাকায় সে সময় সুচিত্রার যত ছবি মুক্তি পেত কোনোটাই বাদ দিতাম না। সবগুলো ছবির নাম এই মুহূর্তে মনে করতে পারছি না। কিন্তু বেশির ভাগ ছবিই কয়েকবার করে দেখা হয়েছে। ‘অগ্নিপরীক্ষা’, ‘পথে হলো দেরি’ তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য। এই দুটি ছবি আমার অনেক বেশি ভালো লেগেছে। বলতে পারি, এই ছবি দুটি আমার মনে দাগ কেটে আছে।
কলকাতায় গিয়েও সুচিত্রা সেনের অনেকগুলো ছবি দেখেছি। তখন সুচিত্রা সেন বেশ পরিণত। সেই ছবিগুলোও আমার দারুণ লেগেছে। সুচিত্রা সেন এমন একজন অভিনয়শিল্পী, যার তুলনা তিনি নিজেই। তা না হলেও, অন্তরালে যাওয়ার এত বছর পর একজন মানুষ কীভাবে জায়গা নিয়ে থাকেন তা সত্যিই অবিশ্বাস্য।
আমার খুব অবাক লাগে এই ভেবে যে, আলোচিত অভিনেত্রী হওয়া সত্ত্বেও হঠাত্ করেই কাউকে কোনো কিছু না জানিয়ে কেন তিনি লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে গেলেন! এটা কিন্তু অনেক বড় একটা ত্যাগ।
সুচিত্রা সেনের যে কোনো অভিনয়ই আমার ভালো লাগতো। তিনি আমার কাছে অনবদ্য। আমার জীবনে খুব কম নায়িকাকে এত ভালো লেগেছে, যতটা লেগেছে সুচিত্রা সেনকে। উত্তম-সুচিত্রার মধ্যে অদ্ভুত একটা ক্যারিশমা ছিল। এরপর অনেক জুটি তৈরি হলেও সেভাবে ভালো লাগার জন্ম দিতে পারেনি। রোমান্টিক চলচ্চিত্রের আদর্শ জুটি উত্তম-সুচিত্রা।
আমি তো সুচিত্রা সেনকে কাছ থেকে কোনোদিন দেখিনি। সবাই যেমন তাঁর অভিনীত ছবিগুলো দেখে তাঁকে আপন করে নিয়েছেন, আমার ক্ষেত্রেও তেমনটাই হয়েছে। অভিনয় দিয়ে সুচিত্রা সেন আমাদের এতটাই আকৃষ্ট করেছেন যে, তাঁর মৃত্যুর পর মনে হচ্ছে নিজের আপন কেউ চলে গেছেন।
অনুলিখন : মনজুর কাদের
0 comments:
Post a Comment