Sporty Magazine official website |

নৌকায় ভোট না দেয়ায় জামায়াত নেতার রগ কাটলো ছাত্রলীগ

Tuesday, January 7, 2014

Share this history on :
নৌকায় ভোট না দেয়ায় জামায়াত নেতার রগ
কাটলো ছাত্রলীগ
নৌকায় ভোট না দেয়ায় জামায়াত নেতার রগ
কাটলো ছাত্রলীগ
নৌকা মার্কায় ভোট না দেয়ায় বাগেরহাটের
মোরেলগঞ্জ উপজেলার গুলিশাখালী কামিল
মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বারী’র
(৬০) হাত ও দুই পায়ের রগ
কেটে দিয়েছে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায়
মাদরাসা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আশংকাজনক
অবস্থায় তাকে উদ্ধার
করে মংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
নিয়ে গেলে সেখানে অবস্থার অবনতি হলে খুলনার
একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তাকে বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার জন্য
ঢাকা পাঠানো হয়েছে।
আহত অধ্যক্ষ আব্দুল বারী’র
পরিবারে সদস্যরা জানান, গত ৫
জানুয়ারী জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে তিনি বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের
সভাপতি ডাঃ মোজাম্মেল হক এর পক্ষে কাজ
না করা (নৌকা মার্কায়) এবং ভোট না দেয়ায় তার
ক্যাডাররা ক্ষিপ্ত হয়। নির্বাচনের আগেরদিন
সন্ধ্যায় তার বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালায়।
তখন তাকে বাড়িতে না পেয়ে তার বাড়ির আসবাব
পত্র ভাংচুর করে এবং হাঁস-মুরগী লুট
করে নিয়ে যায়।
যাবার সময় তারা মাওলানা বারী’র পরিবারের
সদস্যদের হুমকি-ধামকি দিয়ে বলে প্রকাশ্যে নৌকায়
ভোট না দিলে তাদেরকে এলাকা ছাড়া করা হবে।
নির্বাচনের একদিন পর অর্থাৎ মঙ্গলবার সকাল
১০টার দিকে নিশানবাড়িয়া যুবলীগের সভাপতি জসিম
মৃধা’র নেতৃত্বে ছাত্রলীগের ইউনিয়ন কমিটির
সাধারণ সম্পাদক মেহেদী, কর্মী লিটন, রুস্তুম
কসাইর ছেলে লুৎফর কসাই, ফয়জুল ও বাচ্চুসহ
৮/১০ চাপাতিসহ বিভিন্ন ধরণের আগ্নেয়াস্ত্র
নিয়ে হামলা করে।
এসময় মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল বারী প্রাণ
বাঁচাতে দৌড়ে পাশ্ববর্তী আওয়ামী লীগ
নেতা লুৎফর রহমান হাওলাদারের বাড়িতে আশ্রয়
নেয়। এসময় তারা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’
শ্লোগান দিয়ে উক্ত বাড়িতে হামলা করে।
তাকে পেয়ে দুই পা ও ডান হাতের রগ কেটে দেয়।
এছাড়া তার মাথায় ছয়টি ও শরীরের বিভিন্ন
স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মৃত ভেবে বীর
দর্পে চলে যায়।
ঘটনার সময় ওই বড়ির মহিলারা তাকে উদ্ধার
করতে এলে তাদের উপর ও হামলা চালায়। এতে তিন
মহিলাসহ ৬ জন আহত হয়েছে। আহত আব্দুল
বারী নির্বাচনে পরাজিত
প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও
পুলিশের সাবেক এআইজি আব্দুর রহিম খাঁনের
পক্ষে কাজ করেন।
হাসপাতালে আহত পিতার পাশে বসে থাকা তার
মেঝো ছেলে মেডিকেল পড়ুয়া ছাত্র মানসুর
হাউমাউ করে কেঁদে বলেন, আমার
বাবা বাঁচবে কি না তা বলতে পারি না।
তবে ডাক্তাররা বলেছে বেঁচে থাকলেও
স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারবে না।
সন্ত্রাসীরা এলাকায় যেভাবে তান্ডব
চালাচ্ছে তাতে আমাদের পরিবার-পরিজন
নিয়ে বেঁচে থাকাই দায়।
মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক জানান, ঘটনার খবর
পেয়ে সেখানে পুলিশ
পাঠানো হলে কাউকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
তবে এলাকায় একটি ঘটনা ঘটেছে এবং তা তদন্ত
করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার
করা যায়নি।
Thank you for visited me, Have a question ? Contact on : youremail@gmail.com.
Please leave your comment below. Thank you and hope you enjoyed...

0 comments:

Post a Comment