
তিনি বলেন, দরিদ্র শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোই ছিল আমার জীবনের লক্ষ্য। আমি দরিদ্রতার মধ্যে মানুষ হয়েছি। একমাত্র দরিদ্ররাই বুঝবে দারিদ্র্য কত কষ্টের। অন্য কারও পক্ষে সেটা অনুভব করা সম্ভব নয়।
সমাবর্তন বক্তা অচ্যুত সামন্ত বলেন, চার বছর বয়সে আমি বাবাকে হারাই। সাত ভাই-বোন নিয়ে মা বিপাকে পড়ে যান। অন্যের বাসায় কাজ করে সংসার চালানো মায়ের পক্ষে কষ্টকর ছিল। অনেক দিনই আমরা না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়তাম। আর এজন্যই আমার লক্ষ্য ছিল দরিদ্রতা দূর করবো। আর এটা করতে আমি শিক্ষাকে বেছে নিয়েছিলাম।
সকাল ১০টায় আশুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে শুরু হয় অনুষ্ঠান। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সমাবর্তনে ড. অচ্যুত সামন্তকে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ হাজার ২৫২ জন ছাত্রছাত্রীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হয়। ১৫ জন গ্রাজুয়েটকে ফলাফলের ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ পদক প্রদান করা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, আজকের ছাত্ররা আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব দিবে। আমার চাওয়া, তারা যেনো দেশপ্রেমে উদ্বুুদ্ধ হয়ে সামনের দিনগুলোতে নিজেদের এগিয়ে নেয়। তিনি কর্মজীবনে শিক্ষার্থীদের সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান, উপাচার্য প্রফেসর ড. এম লুত্ফর রহমান, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম মাহাবুবুল হক মজুমদার, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম গোলাম রহমান, বাণিজ্য অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম জাকির হোসেন, প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর এম সামছুল আলম প্রমুখ।
0 comments:
Post a Comment