
এ সময় সন্ত্রাসীদের ছোড়া বোমার আঘাতে দামুড়হুদা মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নিয়াজ আলী ও কনস্টেবল খায়রুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশি বন্দুক, ৪ রাউন্ড গুলি, ৪টি তাজা বোমা ও বেশ কয়েকটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে।
পুলিশ জানায়, গতকাল ভোররাতে দামুড়হুদা উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের কানাইবাবুর আমবাগানে ১০-১২ জন চরমপন্থী গোপন বৈঠক করছিল। এমন খবরের ভিত্তিতে দামুড়হুদা থানার উপ-পরিদর্শক রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে ৩টি শক্তিশালী বোমা ছুড়ে মারে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে উভয়ের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়।
প্রায় আধাঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হয় কাশেম ওরফে মেকুর কাশেম। সে মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার বোয়ালমারি গ্রামের জুড়ন আলীর ছেলে।
সন্ত্রাসীদের ছোড়া বোমার স্পিল্গন্টারে দামুড়হুদার মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক নিয়জ আলী ও কনস্টেবল খায়রুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়েছে। তাদের দামুড়হুদা চিত্লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
পরে একই স্থানে অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসীদের ফেলে যাওয়া একটি দেশি বন্দুক, ৪ রাউন্ড গুলি, ৪টি তাজা বোমা ও বেশ কয়েকটি গুলির খোসা উদ্ধার করে পুলিশ।
খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গার সহকারী পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান ও দামুড়হুদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান হাবিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আহসান হাবিব জানান, নিহত কাশেম ওরফে মেকুর কাশেম চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের তালিকাভুক্ত মোস্ট ওয়ানটেড শীর্ষ সন্ত্রাসী। সে নিষিদ্ধ ঘোষিত পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক কমান্ডার। তার বিরুদ্ধে মুজিবননগর ও দামুড়হুদা থানায় অপহরণ, হত্যা, চাঁদাবাজিসহ এক ডজন মামলা রয়েছে।
0 comments:
Post a Comment