স্থাপত্য কেবল দর্শনদারির বিষয় নয়, গভীর অনুভূতি দিয়ে উপলব্ধির বিষয়। এ ভাবনা নিয়ে কাজ করেন দুনিয়ার বাছাই করা এমন কয়েকজন স্থপতির যৌথ প্রদর্শনী হচ্ছে লন্ডনে। এতে আলোকচিত্র বা মডেলের মাধ্যমে স্থাপত্যকে উপস্থাপন করা হয়নি; বরং গ্যালারির বিশালাকার সব কক্ষেই নির্মাণ করা হয়েছে, সাজানো হয়েছে স্থাপত্যের অন্দর-কন্দর। বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
নবীন যে প্রজন্ম, আজকাল দুনিয়ার সেরা সব স্থাপত্যের প্রথম অভিজ্ঞতা পাচ্ছে কম্পিউটারের মনিটরে, ছবিতে-ভিডিওতে। তারা সত্যিকারের স্থাপত্যে সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে কেমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়—তার ওপর জোর দিয়েছেন আয়োজকেরা।
লন্ডনের ‘রয়্যাল একাডেমি অব আর্ট’-এর প্রধান গ্যালারিতে স্থপতি কেট গুডউইনের বাছাই ও উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রদর্শনীটি। স্থপতি গুডউইন মনে করেন, স্থাপত্য কেবল দেখার বিষয় নয়, আমাদের স্থাপত্যের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। স্থাপত্যের পরিসরকে অনুভব করতে হবে, এর নৈঃশব্দ্য বা কোলাহল শুনতে হবে, একে স্পর্শ করতে হবে, এর উষ্ণতা বা শীতলতা গায়ে মাখতে হবে, এর ভেতরে চোখ বুঁজে চুপ করে বসে বা দাঁড়িয়ে থেকে মনের চোখে ওই স্থাপত্যকে বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
একটা স্প্যানিশ-আমেরিকান কাঠের দুর্গ, দুর্গটার প্যাঁচানো সিঁড়ি ঘুরে ঘুরে উঠে গেছে একদম উঁচুতে টাওয়ারের লোহা আর কাচের ছাদ পর্যন্ত। কাঠ-বাদামের ডাল দিয়ে বানানো সারি সারি দেয়ালের গলি-ঘুপচিতে ঘুরতে ঘুরতে শেষ পর্যন্ত একটা কানাগলির চীনা গোলকধাঁধা। একটা রহস্যময় বিশাল কক্ষের আকাশ থেকে সাদা আলোর রশ্মি যেন তুষারের মতো গলে গলে পড়ছে। সুগন্ধিময় একটা আলো-আঁঁধারির কুঠুরিতে জালের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বাঁশের কঞ্চির কারুকার্য। এমন অদ্ভুত সব স্থাপত্যের অন্দর-কন্দরের দেখা মিলবে ‘পরিসরের অনুভূতি: স্থাপত্যের পুনঃ-কল্পনা’ শিরোনামের এ প্রদর্শনীতে।
অস্ট্রেলিয়ায় জন্মগ্রহণ এবং শিক্ষালাভকারী স্থপতি কেট গুডউইন প্রায় এক দশক ধরেই লন্ডনের রয়্যাল একাডেমি অব আর্টে কাজ করছেন। এ প্রদর্শনী সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘স্থাপত্যের সঙ্গে আমাদের কেমন আবেগী, মনস্তাত্ত্বিক এবং অবশ্যই দৃশ্যগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক মোকাবিলা হয়—এ প্রদর্শনীতে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।’
লন্ডনে গত ২৫ জানুয়ারি শুরু হওয়া এ প্রদর্শনী চলবে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত।
নবীন যে প্রজন্ম, আজকাল দুনিয়ার সেরা সব স্থাপত্যের প্রথম অভিজ্ঞতা পাচ্ছে কম্পিউটারের মনিটরে, ছবিতে-ভিডিওতে। তারা সত্যিকারের স্থাপত্যে সময় কাটানোর মধ্য দিয়ে কেমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়—তার ওপর জোর দিয়েছেন আয়োজকেরা।
লন্ডনের ‘রয়্যাল একাডেমি অব আর্ট’-এর প্রধান গ্যালারিতে স্থপতি কেট গুডউইনের বাছাই ও উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রদর্শনীটি। স্থপতি গুডউইন মনে করেন, স্থাপত্য কেবল দেখার বিষয় নয়, আমাদের স্থাপত্যের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। স্থাপত্যের পরিসরকে অনুভব করতে হবে, এর নৈঃশব্দ্য বা কোলাহল শুনতে হবে, একে স্পর্শ করতে হবে, এর উষ্ণতা বা শীতলতা গায়ে মাখতে হবে, এর ভেতরে চোখ বুঁজে চুপ করে বসে বা দাঁড়িয়ে থেকে মনের চোখে ওই স্থাপত্যকে বোঝার চেষ্টা করতে হবে।
একটা স্প্যানিশ-আমেরিকান কাঠের দুর্গ, দুর্গটার প্যাঁচানো সিঁড়ি ঘুরে ঘুরে উঠে গেছে একদম উঁচুতে টাওয়ারের লোহা আর কাচের ছাদ পর্যন্ত। কাঠ-বাদামের ডাল দিয়ে বানানো সারি সারি দেয়ালের গলি-ঘুপচিতে ঘুরতে ঘুরতে শেষ পর্যন্ত একটা কানাগলির চীনা গোলকধাঁধা। একটা রহস্যময় বিশাল কক্ষের আকাশ থেকে সাদা আলোর রশ্মি যেন তুষারের মতো গলে গলে পড়ছে। সুগন্ধিময় একটা আলো-আঁঁধারির কুঠুরিতে জালের মতো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বাঁশের কঞ্চির কারুকার্য। এমন অদ্ভুত সব স্থাপত্যের অন্দর-কন্দরের দেখা মিলবে ‘পরিসরের অনুভূতি: স্থাপত্যের পুনঃ-কল্পনা’ শিরোনামের এ প্রদর্শনীতে।
অস্ট্রেলিয়ায় জন্মগ্রহণ এবং শিক্ষালাভকারী স্থপতি কেট গুডউইন প্রায় এক দশক ধরেই লন্ডনের রয়্যাল একাডেমি অব আর্টে কাজ করছেন। এ প্রদর্শনী সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘স্থাপত্যের সঙ্গে আমাদের কেমন আবেগী, মনস্তাত্ত্বিক এবং অবশ্যই দৃশ্যগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক মোকাবিলা হয়—এ প্রদর্শনীতে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।’
লন্ডনে গত ২৫ জানুয়ারি শুরু হওয়া এ প্রদর্শনী চলবে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত।
0 comments:
Post a Comment