
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্পে বিশেষ অনুদান, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ এবং এনএসটি ফেলোশিপের চেক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। দিন বদলের জন্য নিত্যনতুন লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদের বিপুল জনশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করতে পারলেই আমরা উন্নয়নের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব।’
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সাতজনকে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ ও ন্যাশনাল সায়েন্স টেকনোলজির চেক এবং তিনজনকে গবেষণা অনুদানের চেক প্রদান করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী ফেলোশিপ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণায় অনুদান এবং বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপের জন্য নির্বাচিত ফেলো ও বিজ্ঞানীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, অগ্রসরমাণ অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে পিছিয়ে থাকতে পারে না। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আগামী দিনে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করবে বলে তিনি তাঁর বিশ্বাসের কথা উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গবেষণা দেশের জন্য এক নতুন দুয়ার খুলে দিতে পারে। তাঁর সরকার গবেষকদের মধ্যে যাঁরা সুনির্দিষ্ট গবেষণায় নিয়োজিত, তাঁদের বয়সসীমা শিথিল করার চিন্তাভাবনা করছে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, বয়স যাতে গবেষকদের জন্য কোনো বাধা হতে না পারে। তবে আমরা এটা গণহারে করতে চাই না। যাঁরা সুনির্দিষ্ট গবেষণায় নিয়োজিত, তাঁদের জন্য আমরা বিশেষ ব্যবস্থা করতে চাই।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটারে পারমাণবিক শক্তিসংক্রান্ত একটি তথ্যকেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে জনগণকে পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্র সম্পর্কে সচেতন ও নিরাপত্তার ব্যাপারে আশ্বস্ত করা হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উভয় দেশ পারমাণবিক বিদ্যুত্সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় করবে। বাংলাদেশ-মরক্কো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহযোগিতা চুক্তিও আওয়ামী লীগের বিগত সরকারের সময়ে স্বাক্ষর হয়েছে। বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা তোষা ও দেশি পাটের জিনতত্ত্ব আবিষ্কার করেছেন বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
0 comments:
Post a Comment