ঢাকার ধামরাই উপজেলায় তিন শিশুশিক্ষার্থীকে পাচারের অভিযোগে দুই বোনকে পিটুনি দিয়েছে জনতা। তাঁদের উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশও ক্ষুব্ধ জনতার রোষে পড়ে। এ সময় পুলিশের গুলিতে পাঁচজন আহত হয়। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার নান্দেশ্বরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ধামরাই থানার পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, দুপুর ১২টার দিকে নান্দেশ্বরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম পালার শিক্ষার্থীদের ছুটি হলে তারা বাড়ি ফিরছিল। এ সময় পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সুমন মিয়ার স্ত্রী শিল্পী আক্তার (২৬) ও তাঁর ছোট বোন (১১) ওই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর তিন ছাত্রীকে পাশের মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া বাজারের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। শিল্পী ও তাঁর বোন বোরকা পরা ছিলেন। শিশুদের এক প্রতিবেশীর সন্দেহ হলে তিনি জানতে চান, তারা কোথায় যাচ্ছে। শিশুরা জানায়, ওই নারীরা তাদের টাকা ও নতুন পোশাক কিনে দেবেন। এ সময় আশপাশের লোকজন দুই বোনকে ধরে নান্দেশ্বরী বিদ্যালয়ে নিয়ে যান। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুই বোনকে শ্রেণীকক্ষে আটকে রেখে ধামরাই থানায় খবর দেন।
ধামরাই থানার পুলিশ জানায়, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই নান্দেশ্বরী গ্রামের আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে দুই শতাধিক লোক শ্রেণীকক্ষের দরজা ভেঙে শিল্পী ও তাঁর শিশু বোনকে বাইরে নিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকেন। এ সময় ধামরাই থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাধা দিলে উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপরও হামলা চালায়। গুলি চালিয়েও জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে ব্যর্থ হয় পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় লোকজন জানান, পুলিশের গুলিতে নান্দেশ্বরী গ্রামের মুকছেদ আলী (৪০), আক্কাছ আলী (৪২), রেজিয়া আক্তারসহ (৩০) অন্তত পাঁচজন আহত হন।
ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার প্রথম আলোকে বলেন, উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপর চড়াও হলে আত্মরক্ষার্থে ও পরিস্থিতি শান্ত করতে কয়েকটি গুলি চালানো হয়। এতে দু-একজন আহত হতে পারেন।
থানায় পুলিশ হেফাজতে থাকা শিল্পী প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা দুই বোন সাভারের আমিনবাজারে থাকেন। অপহরণ নয়, শিশুদের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছে থাকা স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়াই ছিল তাঁদের মূল উদ্দেশ্য।
কিন্তু শিশুদের বাবা আমজাদ হোসেন ও আইয়ুব আলী জানান, তাঁদের মেয়েদের গলায় ও কানে কোনো স্বর্ণালংকার ছিল না। অপহরণের উদ্দেশ্যেই তাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
দুই বোনের বিরুদ্ধে পাচারের উদ্দেশ্যে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
ধামরাই থানার পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, দুপুর ১২টার দিকে নান্দেশ্বরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম পালার শিক্ষার্থীদের ছুটি হলে তারা বাড়ি ফিরছিল। এ সময় পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সুমন মিয়ার স্ত্রী শিল্পী আক্তার (২৬) ও তাঁর ছোট বোন (১১) ওই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর তিন ছাত্রীকে পাশের মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া বাজারের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। শিল্পী ও তাঁর বোন বোরকা পরা ছিলেন। শিশুদের এক প্রতিবেশীর সন্দেহ হলে তিনি জানতে চান, তারা কোথায় যাচ্ছে। শিশুরা জানায়, ওই নারীরা তাদের টাকা ও নতুন পোশাক কিনে দেবেন। এ সময় আশপাশের লোকজন দুই বোনকে ধরে নান্দেশ্বরী বিদ্যালয়ে নিয়ে যান। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুই বোনকে শ্রেণীকক্ষে আটকে রেখে ধামরাই থানায় খবর দেন।
ধামরাই থানার পুলিশ জানায়, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই নান্দেশ্বরী গ্রামের আমিনুর রহমানের নেতৃত্বে দুই শতাধিক লোক শ্রেণীকক্ষের দরজা ভেঙে শিল্পী ও তাঁর শিশু বোনকে বাইরে নিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকেন। এ সময় ধামরাই থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাধা দিলে উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপরও হামলা চালায়। গুলি চালিয়েও জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে ব্যর্থ হয় পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় লোকজন জানান, পুলিশের গুলিতে নান্দেশ্বরী গ্রামের মুকছেদ আলী (৪০), আক্কাছ আলী (৪২), রেজিয়া আক্তারসহ (৩০) অন্তত পাঁচজন আহত হন।
ধামরাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার প্রথম আলোকে বলেন, উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপর চড়াও হলে আত্মরক্ষার্থে ও পরিস্থিতি শান্ত করতে কয়েকটি গুলি চালানো হয়। এতে দু-একজন আহত হতে পারেন।
থানায় পুলিশ হেফাজতে থাকা শিল্পী প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা দুই বোন সাভারের আমিনবাজারে থাকেন। অপহরণ নয়, শিশুদের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছে থাকা স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়াই ছিল তাঁদের মূল উদ্দেশ্য।
কিন্তু শিশুদের বাবা আমজাদ হোসেন ও আইয়ুব আলী জানান, তাঁদের মেয়েদের গলায় ও কানে কোনো স্বর্ণালংকার ছিল না। অপহরণের উদ্দেশ্যেই তাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
দুই বোনের বিরুদ্ধে পাচারের উদ্দেশ্যে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
0 comments:
Post a Comment