
জানা গেছে, হাটহাজারী মাদ্রাসায় কমপক্ষে সাত হাজার ছাত্র রয়েছে। তাদের মধ্যে তিন হাজারের মতো ভোটার। তাই প্রার্থীদের অনেকে হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ আহমদ শফীর সঙ্গে সরাসরি ও ফোনে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। হেফাজতে ইসলামের সমর্থকদের ভোট নিজের পক্ষে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উত্তর জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সহসভাপতি নাজিম উদ্দিন (ভিপি নাজিম) শাহ আহমদ শফীর সঙ্গে মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা করেছেন বলে জানা গেছে।
গতকাল সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, প্রার্থীরা ব্যস্ত শেষ মুহূর্তের গণসংযোগে। সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। মাহমুদ হাসান নামের এক মাছবিক্রেতা বলেন, ‘এমপি নির্বাচনে ভোট দিতে পারিনি। এবার ভোটকেন্দ্রে যাব। সব প্রার্থীই ভোট চাইতে এসেছেন।’
উপজেলা পরিষদের বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম চৌধুরী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। গতকাল তিনি প্রচারণা চালিয়েছেন শিকারপুর ও চিকনদণ্ডী এলাকায়।
মাহবুবুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘হাটহাজারীতে হেফাজতের একটা প্রভাব রয়েছে। হুজুরের (শাহ আহমদ শফী) সঙ্গে আমি দেখা করেছি। তিনি আমাকে দোয়া করেছেন। হেফাজতের শত ভাগ ভোট আমার পক্ষে আসবে বলে আমার বিশ্বাস।’
শুধু বিএনপি নয়, হেফাজতের ভোটের দিকে তাকিয়ে আছে আওয়ামী লীগও। এখানে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ ইসমাইল। তিনি বর্তমান চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। গতকাল তিনি পৌর সদরে গণসংযোগ করেছেন।
মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ‘জনমত আমার পক্ষে আছে। এখানে হেফাজতের কিছু ভোট রয়েছে। তারা আমাকে পছন্দ করে। আমি মনে করি, হেফাজতের অধিকাংশ ভোট আমি পাব। হুজুরদের সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে।’
তবে হেফাজত এখনো চেয়ারম্যান কিংবা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কাউকে সমর্থন দেয়নি। কেবল ভাইস চেয়ারম্যান পদে ইসলামী ঐক্যজোটের নাছির উদ্দিন মুনিরকে তারা সমর্থন দিয়েছে বলে জানা গেছে।
0 comments:
Post a Comment