Sporty Magazine official website |

বগুড়ায় অধ্যক্ষের কক্ষে অবরুদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

Monday, February 10, 2014

Share this history on :
বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজে নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করাকে কেন্দ্র করে আজ সোমবার ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির নেতাকে অধ্যক্ষের কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন অন্য পক্ষের নেতা-কর্মীরা।

ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সূত্র জানায়, ২০০৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়। ওই কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন আবু জাফর মো. মাহমুদুন্নবী। প্রায় ১১ বছর পর গত ১৫ জানুয়ারি মেয়াদোত্তীর্ণ ওই কমিটি ভেঙে দেয় জেলা ছাত্রলীগ। সম্মেলন না করে এভাবে কমিটি ভেঙে দেওয়াকে সংগঠনের গঠনতন্ত্রবিরোধী কাজ বলে দাবি করে আসছেন আহ্বায়ক কমিটির নেতারা। এ নিয়ে জেলা কমিটির নেতাদের সঙ্গে আহ্বায়ক কমিটির সাবেক নেতাদের মধ্যে কয়েক দিন ধরেই বিরোধ চলছে।
এরই সূত্র ধরে আজকের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান, কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষের নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ ও শুভেচ্ছা জানাতে আজ দুপুর ১২টার দিকে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাশরাফি হিরোর নেতৃত্বে মিছিল বের করেন নেতা-কর্মীরা। এ সময় সাবেক আহ্বায়ক মাহমুদুন্নবীর নেতৃত্বে আরেকটি অংশ ওই মিছিলে হামলা করে এবং ধাওয়া দেয়। এ সময় কলেজের গ্রন্থাগার ভবন, প্রশাসনিক ভবনসহ কয়েকটি জায়গায় আট থেকে নয়টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। একপর্যায়ে মাশরাফির নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা সাবেক কমিটিকে ধাওয়া দেয়। ধাওয়া খেয়ে সাবেক কমিটির মাহমুদুন্নবীসহ কয়েকজন নেতা কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে আশ্রয় নেন। সেখানে মাহমুদুন্নবীকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। মাহমুদুন্নবীর সমর্থকেরা ক্যাম্পাসে ঢুকে ককটেল বিস্ফোরণ করেন। একপর্যায়ে তাঁরা মাহমুদুন্নবীকে উদ্ধার করে ক্যাম্পাস থেকে নিয়ে যান।

এ ব্যাপারে সাবেক আহ্বায়ক মাহমুদুন্নবী প্রথম আলোকে বলেন, ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে জেলা কমিটি ইচ্ছামতো কলেজ কমিটি ভেঙে দিয়েছেন। মারামারির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই উল্লেখ করে মাহমুদুন্নবী বলেন, তিনি পরিচিত দুজন শিক্ষার্থীর ভর্তির জন্য কলেজে গিয়েছিলেন। কিন্তু কলেজে ঢোকার পরে তাঁর ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়। তবে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাশরাফি অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে ১১ বছর ধরে ভর্তি-বাণিজ্য, কলেজের অর্থ লোপাট, চাঁদাবাজি, জায়গা দখলসহ নানা অপকর্ম করছিলেন আহ্বায়ক কমিটির নেতারা। এ কারণে ওই অকার্যকর কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আজ নতুন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানাতে ছাত্রলীগ শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করে। এ সময় সাবেক আহ্বায়কের নেতৃত্বে বহিরাগত অছাত্ররা হামলা চালিয়েছেন।
কলেজের অধ্যক্ষ দীপকেন্দ্র নাথ দাস বলেন, ‘কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে ককটেলবাজি ও হাঙ্গামার ঘটনায় পাঠদান ও ভর্তি কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।’
Thank you for visited me, Have a question ? Contact on : youremail@gmail.com.
Please leave your comment below. Thank you and hope you enjoyed...

0 comments:

Post a Comment