
অনেক দিন ধরেই আইপিএল ফিক্সিং কেলেঙ্কারির কালো মেঘ ভাসছে ক্রিকেট আকাশে। এরই মধ্যে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের তদন্তে অভিযুক্ত হয়েছেন ক্রিকেট-বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব নারায়ণস্বামী শ্রীনিবাসনের জামাতা গুরুনাথ মায়াপ্পন। মায়াপ্পনের অভিযুক্ত হওয়ার ঘটনার এক দিন না পেরোতেই ইন্ডিয়া টুডে ফাটাল আরেক বোমা। ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিক্সিং কেলেঙ্কারি থেকে সন্দেহমুক্ত নন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও সুরেশ রায়নাও!
গত আইপিএলের ফিক্সিং কেলেঙ্কারির ঘটনায় তোলপাড় হওয়ার পর গেল অক্টোবরে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মুকুল মুডগালকে প্রধান করে গঠন করা হয় সর্বোচ্চ আদালতের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি। এই কমিটির ১৭০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অবৈধ বাজি ধরার জন্য বাইরের লোকদের তথ্য সরবরাহ করেছেন শ্রীনিবাসনের জামাতা।
এ নিয়ে তোলপাড়ের মধ্যেই ধোনি-রায়নার সংশ্লিষ্টতার খবর ফাঁস করল ইন্ডিয়া টুডে । পত্রিকাটি লিখেছে, বিচারক মুডগালকে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছেন বর্তমানে ত্রিচি রেলওয়ের এসপি জি সামপাথ কুমার। সিআইডির অপরাধ বিভাগের এসপি থাকাকালে সামপাথ গত বছর একটি তদন্তের সূত্র ধরে কয়েকজন বাজিকরের সঙ্গে পরিচিত হন। সামপাথ মুডগালকে যে প্রতিবেদনটি দিয়েছেন, সেখানে ধোনি ও রায়নার নাম উল্লেখ আছে।
খবরটা শুনলে চমকে উঠতে হয়। একদিকে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারি, অন্যদিকে ধোনি-রায়নার মতো তারকারা। বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। তবে ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে পরিষ্কার করে বলা হয়নি, ধোনি বা রায়না কীভাবে স্পট ফিক্সিংয়ে সাহায্য করেছেন বলে প্রতিবেদন দিয়েছেন সেই এসপি সামপাথ।
গত আইপিএলের ফিক্সিং কেলেঙ্কারির ঘটনায় তোলপাড় হওয়ার পর গেল অক্টোবরে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মুকুল মুডগালকে প্রধান করে গঠন করা হয় সর্বোচ্চ আদালতের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি। এই কমিটির ১৭০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অবৈধ বাজি ধরার জন্য বাইরের লোকদের তথ্য সরবরাহ করেছেন শ্রীনিবাসনের জামাতা।
এ নিয়ে তোলপাড়ের মধ্যেই ধোনি-রায়নার সংশ্লিষ্টতার খবর ফাঁস করল ইন্ডিয়া টুডে । পত্রিকাটি লিখেছে, বিচারক মুডগালকে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছেন বর্তমানে ত্রিচি রেলওয়ের এসপি জি সামপাথ কুমার। সিআইডির অপরাধ বিভাগের এসপি থাকাকালে সামপাথ গত বছর একটি তদন্তের সূত্র ধরে কয়েকজন বাজিকরের সঙ্গে পরিচিত হন। সামপাথ মুডগালকে যে প্রতিবেদনটি দিয়েছেন, সেখানে ধোনি ও রায়নার নাম উল্লেখ আছে।
খবরটা শুনলে চমকে উঠতে হয়। একদিকে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারি, অন্যদিকে ধোনি-রায়নার মতো তারকারা। বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। তবে ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে পরিষ্কার করে বলা হয়নি, ধোনি বা রায়না কীভাবে স্পট ফিক্সিংয়ে সাহায্য করেছেন বলে প্রতিবেদন দিয়েছেন সেই এসপি সামপাথ।
বিচারক মুডগালও পরিষ্কারভাবে কারও নাম উল্লেখ করেননি। তবে সেটা সিনিয়র খেলোয়াড়দের আড়াল করার চেষ্টা কি না, এমন প্রশ্নও উঠেছে। এদিকে ‘জি নিউজে’র একটি খবরে বলা হয়েছে, সামপাথের জিজ্ঞাসাবাদে উত্তম জৈন ওরফে কিটি নামের এক বাজিকর সরাসরি ধোনি-রায়নার নাম উল্লেখ করেছেন। বুকিদের সঙ্গে লেনদেনের ব্যাপারে এই দুজনসহ ভারতের জাতীয় দলে খেলেছেন এমন ছয় শীর্ষ ক্রিকেটারের নাম এসেছে।
প্রশ্ন হলো, প্রতিবেদনে যে ঘুরেফিরে ‘শীর্ষ’ বা ‘বিখ্যাত’ কিংবা ‘বিশ্বকাপ দলের সদস্য’ বলা হচ্ছে, তাঁরা কারা? এটিও যেমন এখনো পরিষ্কার নয়, তেমনি ধোনি-রায়নার সংশ্লিষ্টতা থাকলেও সেটির মাত্রা কতটা বেশি বা কম, তা-ও জানা যায়নি।
0 comments:
Post a Comment