বাকিতে ফুল না দেওয়ায় আজ বুধবার দুপুরে মাগুরা শহরের সমবায় মার্কেটের সামনে ‘পুষ্পাঙ্গন ফুল ঘর’ নামে একটি ফুল ও উপহার সামগ্রীর দোকান ভাঙচুর করেছেন ছাত্রলীগের কর্মীরা।
ফুলের ওই দোকানটি পুলিশ সুপার ও ছাত্রলীগের কার্যালয়ের কাছে। ছাত্রলীগের কর্মীরা দোকান ভাঙচুরের পাশাপাশি ফুল ও উপহার সামগ্রী নষ্ট করেন।
দোকান মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘একটি ফুলের ঝাঁপি তৈরি করে দেওয়ার কথা বলে সকালে ছাত্রলীগের তিন কর্মী আসেন। ঝাঁপিটির দাম ৩০০ টাকা। পরে বেলা পৌনে ১২টার দিকে ছাত্রলীগের ১০-১২ জন নেতা-কর্মী ঝাঁপিটি নিতে দোকানে আসেন। তাঁরা পরে টাকা দেবেন বলে ফুলের ঝাঁপিটি নিতে চান। কিন্তু আমি দিতে রাজি হইনি। কারণ এর আগেও ছাত্রলীগের ছেলেরা বাকি করে টাকা দেননি। এ সময় ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ রেজাউল ইসলাম আমাকে ফোন করে ঝাঁপিটি দিতে বলেন। তিনি আমাকে বলেন, “ওরা পরে টাকা দিয়ে দেবে।” এ সময় আমি আমার ছোট ভাই মারুফকে ফোন করে ঝাঁপিটি দেব কি না জিজ্ঞাসা করি। এরই মধ্যে ছাত্রলীগের কর্মীরা হঠাত্ করে ক্ষিপ্ত হয়ে দোকান ভাঙচুর শুরু করে। তাঁরা গালাগালও করে।’
দোকান মালিকের ছোট ভাই মারুফ রায়হান বলেন, ‘তাঁরা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী। এর আগেও বাকি নিয়ে টাকা দেয়নি। যারা এসেছিল তাঁদের মধ্যে সজিব ও রায়হান নামে ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে আমরা চিনতে পেরেছি। পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি।’
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ‘ঘটনার পর আমি ওই দোকানে গিয়েছি। কাজটি ঠিক হয়নি। আমি দোকানদারকে ছেলে-পেলের সঙ্গে বুঝে—শুনে চলতে বলেছি। ছাত্রলীগ সভাপতিকেও ফোন করে বকেছি। যাচ্ছেতাই বলেছি।’
এ ব্যাপারে জানতে ছাত্রলীগের মাগুরা জেলা সভাপতি শেখ রেজাউল ইসলামকে প্রথম আলোর প্রধান কার্যালয় থেকে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে কলটি রিসিভ হয়নি। পরে সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোন করা হলে তাঁর দুটি নম্বরই বন্ধ পাওয়া যায়।
দোকান মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘একটি ফুলের ঝাঁপি তৈরি করে দেওয়ার কথা বলে সকালে ছাত্রলীগের তিন কর্মী আসেন। ঝাঁপিটির দাম ৩০০ টাকা। পরে বেলা পৌনে ১২টার দিকে ছাত্রলীগের ১০-১২ জন নেতা-কর্মী ঝাঁপিটি নিতে দোকানে আসেন। তাঁরা পরে টাকা দেবেন বলে ফুলের ঝাঁপিটি নিতে চান। কিন্তু আমি দিতে রাজি হইনি। কারণ এর আগেও ছাত্রলীগের ছেলেরা বাকি করে টাকা দেননি। এ সময় ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ রেজাউল ইসলাম আমাকে ফোন করে ঝাঁপিটি দিতে বলেন। তিনি আমাকে বলেন, “ওরা পরে টাকা দিয়ে দেবে।” এ সময় আমি আমার ছোট ভাই মারুফকে ফোন করে ঝাঁপিটি দেব কি না জিজ্ঞাসা করি। এরই মধ্যে ছাত্রলীগের কর্মীরা হঠাত্ করে ক্ষিপ্ত হয়ে দোকান ভাঙচুর শুরু করে। তাঁরা গালাগালও করে।’
দোকান মালিকের ছোট ভাই মারুফ রায়হান বলেন, ‘তাঁরা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী। এর আগেও বাকি নিয়ে টাকা দেয়নি। যারা এসেছিল তাঁদের মধ্যে সজিব ও রায়হান নামে ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে আমরা চিনতে পেরেছি। পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি।’
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ‘ঘটনার পর আমি ওই দোকানে গিয়েছি। কাজটি ঠিক হয়নি। আমি দোকানদারকে ছেলে-পেলের সঙ্গে বুঝে—শুনে চলতে বলেছি। ছাত্রলীগ সভাপতিকেও ফোন করে বকেছি। যাচ্ছেতাই বলেছি।’
এ ব্যাপারে জানতে ছাত্রলীগের মাগুরা জেলা সভাপতি শেখ রেজাউল ইসলামকে প্রথম আলোর প্রধান কার্যালয় থেকে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে কলটি রিসিভ হয়নি। পরে সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোন করা হলে তাঁর দুটি নম্বরই বন্ধ পাওয়া যায়।
0 comments:
Post a Comment