ইখওয়ানুল মুসলেমিনকে ধ্বংস করার ঘোষণা দিলো সরকার
মিসরের ইখওয়ানুল মুসলেমিনকে ধ্বংস করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সেনা সমর্থিত সরকার। মিসর সরকারের দমন পীড়নের বিরুদ্ধে লাখ লাখ মানুষের মিছিলের ঘোষণা দেয়ার পর এ হুমকি দেয় সেনা সমর্থিত সরকার। গত ২৫ ডিসেম্বর ইখওয়ানুল মুসলেমিনকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা দেয় দেশটির সরকার। এর আগের দিন দেশটির পুলিশ সদর দপ্তরের বোমা হামলার ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়। এ হামলার ঘটনার কোন তদন্ত না করেই ইখওয়ানুল মুসলেমিনের ওপর দোষ চাপিয়ে দেয়া হয়। এরপর, দেশটির সরকার কথিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে পূর্ণ শক্তি দিয়ে মোকাবেলা করার ঘোষণা দেয়। রয়টার্স, আইআরআইবি।
এদিকে, সেনা সরকারের দমন পীড়নের বিরুদ্ধে আগামীকাল বুধবার দেশটিতে ‘মিলিয়ন ম্যান মার্চ’ আহ্বান করে ইখওয়ানুল মুসলেমিনসহ দেশটির সেনা-সরকার-বিরোধী গ্রুপগুলো। গত শনিবার মিসরের উত্তর সিনাইয়ে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানের নিচে এক বোমা বিস্ফোরণে এক সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো অন্তত দু’জন। সিনাইয়ে ইসলামী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানরত সেনাবাহিনীর যানবাহন চলাচল করে, এমন একটি রাস্তার মধ্যে বোমা পুঁতে রেখেছিল সশস্ত্র ব্যক্তিরা, জানিয়েছে নিরাপত্তা সূত্রগুলো। এছাড়াও গত শুক্রবার জুমার নামাযের পর দেশজুড়ে সেনা সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এ বিক্ষোভে ব্যাপক হারে দমন অভিযান চালায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ। ওই দিন সংঘর্ষে নিহত হয় ১৯ জন ও আটক হয় প্রায় ৩শ’ জন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি মিসরে ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দিয়ে আইন পাস করা হয়। এই আইন অনুযায়ী ব্রাদারহুডের আদর্শ-চিন্তাধারাকে সমর্থন এবং সংগঠনটির বই ও সাহিত্য মৌখিত বা লিখিতভাবে প্রচার করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে, ২০১১ সালে সাবেক হোসনি মুবারকের পতনের পর থেকেই সিনাই উপদ্বীপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এই সুযোগে প্রতিবেশী ইসরাইল ও মিসরীয় লক্ষ্যস্থলগুলোতে হামলা চালাতে তৎপর হয়ে ওঠে উগ্রপন্থী ইসলামী জঙ্গিরা। এরপর ৩ জুলাই মিসরের ইতিহাসে প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইসলামপন্থী মোহাম্মদ মুরসিকে সেনাবাহিনী ক্ষমতাচ্যুত করলে বেপরোয়া হয়ে ওঠে জঙ্গিরা। সেনাসমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার সিনাইয়ে কথিত সন্ত্রাসীদের দমন করতে অভিযান শুরু করেছে।
মিসরের ইখওয়ানুল মুসলেমিনকে ধ্বংস করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সেনা সমর্থিত সরকার। মিসর সরকারের দমন পীড়নের বিরুদ্ধে লাখ লাখ মানুষের মিছিলের ঘোষণা দেয়ার পর এ হুমকি দেয় সেনা সমর্থিত সরকার। গত ২৫ ডিসেম্বর ইখওয়ানুল মুসলেমিনকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা দেয় দেশটির সরকার। এর আগের দিন দেশটির পুলিশ সদর দপ্তরের বোমা হামলার ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়। এ হামলার ঘটনার কোন তদন্ত না করেই ইখওয়ানুল মুসলেমিনের ওপর দোষ চাপিয়ে দেয়া হয়। এরপর, দেশটির সরকার কথিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে পূর্ণ শক্তি দিয়ে মোকাবেলা করার ঘোষণা দেয়। রয়টার্স, আইআরআইবি।
এদিকে, সেনা সরকারের দমন পীড়নের বিরুদ্ধে আগামীকাল বুধবার দেশটিতে ‘মিলিয়ন ম্যান মার্চ’ আহ্বান করে ইখওয়ানুল মুসলেমিনসহ দেশটির সেনা-সরকার-বিরোধী গ্রুপগুলো। গত শনিবার মিসরের উত্তর সিনাইয়ে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানের নিচে এক বোমা বিস্ফোরণে এক সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো অন্তত দু’জন। সিনাইয়ে ইসলামী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানরত সেনাবাহিনীর যানবাহন চলাচল করে, এমন একটি রাস্তার মধ্যে বোমা পুঁতে রেখেছিল সশস্ত্র ব্যক্তিরা, জানিয়েছে নিরাপত্তা সূত্রগুলো। এছাড়াও গত শুক্রবার জুমার নামাযের পর দেশজুড়ে সেনা সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এ বিক্ষোভে ব্যাপক হারে দমন অভিযান চালায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ। ওই দিন সংঘর্ষে নিহত হয় ১৯ জন ও আটক হয় প্রায় ৩শ’ জন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি মিসরে ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দিয়ে আইন পাস করা হয়। এই আইন অনুযায়ী ব্রাদারহুডের আদর্শ-চিন্তাধারাকে সমর্থন এবং সংগঠনটির বই ও সাহিত্য মৌখিত বা লিখিতভাবে প্রচার করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে, ২০১১ সালে সাবেক হোসনি মুবারকের পতনের পর থেকেই সিনাই উপদ্বীপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এই সুযোগে প্রতিবেশী ইসরাইল ও মিসরীয় লক্ষ্যস্থলগুলোতে হামলা চালাতে তৎপর হয়ে ওঠে উগ্রপন্থী ইসলামী জঙ্গিরা। এরপর ৩ জুলাই মিসরের ইতিহাসে প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইসলামপন্থী মোহাম্মদ মুরসিকে সেনাবাহিনী ক্ষমতাচ্যুত করলে বেপরোয়া হয়ে ওঠে জঙ্গিরা। সেনাসমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার সিনাইয়ে কথিত সন্ত্রাসীদের দমন করতে অভিযান শুরু করেছে।
0 comments:
Post a Comment