Sporty Magazine official website |

ভোট বর্জনের বিপ্লব : বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ১৫-২০টি করে, অসংখ্য কেন্দ্রে একটি ভোটও পড়েনি, ভোট দেননি অনেক আ.লীগ সমর্থকও

Monday, January 6, 2014

Share this history on :
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার চূড়ামনি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আবদুল লতিফ জানালেন, বেলা দুইটা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে মাত্র একটি ভোট পড়েছে। একজন মাত্র পুরুষ ভোটার এখানে ভোট দিয়েছেন।
এবার আসুন রাজধানী ঢাকায়। মিরপুরের মনিপুর উচ্চবিদ্যালয়ে প্রথম ৫০ মিনিটে ১টি ভোট পড়েছে। দ্বিতীয় ভোটটি পড়েছে আরও আধঘণ্টা পরে। এ দুটি কেন্দ্রের ভোটের এই হার কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ওই দুটি কেন্দ্রে খুব কম ভোট পড়েছে ধারণা করলে আপনি ভুল করবেন। এরচেয়ে খারাপ অবস্থাও ছিল। দেশের অন্তত অর্ধশত কেন্দ্রে একটি ভোটও পড়েনি।
একতরফা নির্বাচনে ভোট না দেয়ার মানে যদি হয় সরকারকে প্রত্যাখ্যান, তবে গতকাল বাংলাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগ সরকারকে চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। বস্তুত, সাজানো নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশের মানুষ গতকাল এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছেন।
সবাই মোটামুটি নিশ্চিত ছিলেন যে আওয়ামীপন্থী এবং হাতেগোনা কিছু বামপন্থী ছাড়া অন্য কেউ ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। তবে দিনশেষে এই ধারণা অমূলক প্রমাণিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে পরিচিত বেশিরভাগ ভোটারই ভোট কেন্দ্রে যাননি। ফলে সারা দিনে শত শত কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ১৫-২০টি। যদি আওয়ামী লীগের ভোটাররা সবাই ভোট দিতে যেত তাহলেও হয়তো ২০ থেকে ২৫ ভাগ ভোট পড়ার কথা ছিল। তবে আওয়ামী লীগের সমর্থকরা দলটিকে প্রত্যাখ্যান করেছে নাকি ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যায়নি তা এখনও স্পষ্ট নয়।
তবে এটা স্পষ্ট যে, একতরফা নির্বাচনের সরকারের সাফল্য মেকি ছাড়া অন্য কিছু নয়।
বর্বর শাসনের জন্য এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী কুখ্যাতি পাওয়া শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যেতে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য কোনো দলই রাজি হয়নি। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছিল। সর্বশেষ ২৫ অক্টোবর থেকে শুরু হয় চূড়ান্ত আন্দোলন। গত দুই মাস কার্যত অচল ছিল সারা দেশ। সরকারের শাসনও অচল হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় নির্বাচনের দুদিন আগ থেকে সরকারের একতরফা নির্বাচনের বিরুদ্ধে শুরু হয় গণপ্রতিরোধ।
বিক্ষুব্ধ জনতা দেশের প্রায় অর্ধশত জেলায় প্রায় ২ শতাধিক ভোটকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। বহু স্থানে ব্যালট পেপার আগুন দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ ভোটের আগের রাত থেকে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত সহিংসতায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। এদের বেশিরভাগই বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মী এবং তারা পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন।
গণপ্রতিরোধের মুখে ৬ শতাধিক কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। ব্যালট বাক্স না পৌঁছানোর কারণে গাইবান্ধার চারটি আসনের শতাধিক কেন্দ্রে গতকাল বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোটই শুরু করা যায়নি। একই ঘটনা ঘটেছে দেশের আরও বহু স্থানে।
জাতীয় নির্বাচনে নাম হলেও এবারের নির্বাচন জাতীয় ছিল না। বিরোধী দল শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যেতে রাজি না হওয়ায় প্রথমেই প্রার্থী সংকট সৃষ্টি হয়। ফলে ১৫৩টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও তার শরিক দলের প্রার্থীরা বিনা ভোটেই জয়ী হয়। ফলে দেশের প্রায় ৫৩ শতাংশ ভোটার ভোটাধিকার বঞ্চিত হয়েছেন। যদিও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবারই বলছেন তিনি সারা জীবন ভোটাধিকার রক্ষার আন্দোলন করেছেন।
অবশেষ গতকাল কার্যত এক দলের নির্বাচনে হলেও শরিক দলের প্রার্থী ও কিছু স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের ভোট দিতে দেয়া হয়নি। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ব্যাপক জালিয়াতির আশ্রয় নেয়। যেমন পাবনায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর শামসুল হক টুকুর ছেলে একাই ৪৭৫টি ভোট দিয়েছেন।
দেশের বিভিন্ন স্থানে টুকুর ছেলের মতো একই কাণ্ড ঘটিয়েছেন আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীরা। তারা ভোটকেন্দ্র দখল করে ইচ্ছেমত ভোট দিয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভোটারদের ভোট দিতে দেননি এবং এজেন্টদের মারধর করেছেন। ফলে রাত নয়টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অন্তত ৩১ জন প্রার্থী নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছেন।
নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ দেশের গণতান্ত্রিক ও দেশপ্রেমিক দলের নেতারা দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
একতরফা নির্বাচন বাতিলের দাবিতে চলমান লাগাতার অবরোধের মধ্যেই আজ সকাল থেকে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে ১৮ দল।
বিরোধী দলগুলোরে প্রত্যাখ্যান এবং অবরোধ ও হরতালের মধ্যেই অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পায়। একে প্রহসনের নির্বাচন বলে মন্তব্য করেছে সব বিদেশি গণমাধ্যম।
একতরফা নির্বাচন হলেও গতকাল সারাদেশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রামে ছিল কারফিউর মতো কড়াকড়ি।
এদিকে গতকাল সকাল থেকে ঢাকাসহ দেশের সব জায়গায় ভোটকেন্দগুলো খাঁ খাঁ করলেও সন্ধ্যার পর থেকেই ভোট গ্রহণের অবিশ্বাস্য সংখ্যা আসতে থাকে।
অথচ স্যাটেলাইট টিভিতে দেখানো হয়, কোনো কোনো কেন্দ্রে ৫টা, কোনো কোনো কেন্দ্রে ১৫টা ভোট পড়েছে।
স্যাটেলাইট টিভির লাইভ সম্প্রচারে ভোটারবিহীন নির্বাচন
সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরুর পর থেকে প্রায় সবক’টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ভোটের সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং ভোটার উপস্থিতির সংবাদ সরাসরি প্রচার করে। এসব সংবাদ থেকে সারাদেশে মানুষের ভোট বর্জনের চিত্র পরিষ্কারভাবে ফুটে ওঠে। শুধু বিএনপি বা ১৮ দলীয় জোটের কর্মীই নয়, খোদ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সমর্থকরাও ভোট দিতে যাননি।
সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ঢাকা-৬ আসনের একটি কেন্দ্রের (সরকারি কবি নজরুল কলেজ কেন্দ্র) চিত্র তুলে ধরে আরটিভি। ওই কেন্দ্রের তিনটি ভোট কক্ষে ২ ঘণ্টা ১০ মিনিটে ভোট পড়েছে মাত্র ৭টি। এর মধ্যে ১নং কক্ষে ৩টি, ২নং ও ৩নং কক্ষে ২টি করে ভোট পড়ে। সকাল ৯টায় চট্টগ্রামের জামাল খান হাইস্কুল ভোট কেন্দ্রের চিত্র তুলে ধরে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর। এক ঘণ্টায় ওই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন মাত্র তিনজন।
১১টা ৫ মিনিটে ঢাকা-১৮ আসনে উত্তরা মডেল স্কুল এন্ড কলেজের চিত্র দেখায় বাংলাভিশন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত একটি ভোটকক্ষেও ভোট সংখ্যা ২০ অতিক্রম করতে পারেনি। সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এক ঘণ্টায় কাওলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট পড়েছে মাত্র দুটি। ঢাকার অদূরে ঢাকা-২ আসনের ৬নং নবাবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৬০৩ ভোটের মধ্যে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সাড়ে তিন ঘণ্টায় ভোট পড়েছে মাত্র ১৫০টি।
দুপুর ১১টায় বাংলাভিশন খুলনা-২ আসনের খুলনা সিটি কলেজ কেন্দ্রের অবস্থা জানিয়ে বলে, কেন্দ্রে কোন ভোটারের উপস্থিতি নেই। ওই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান ভোট দেন। তিনি বলেন, শীতের কারণে ভোটাররা আসেনি। সাধারণত মানুষ কাজকর্ম সেরে একটু দেরিতে ভোট দিতে যাবেন বলে তিনি জানান। খুলনার তিনটি আসনে ৮ হাজারের বেশি নিরাপত্তা কর্মী নিয়োজিত বলেও জানানো হয়। একই চ্যানেল নরসিংদী ও মুন্সীগঞ্জের ভোটকেন্দ্রগুলোর সরাসরি চিত্র দেখিয়ে ভোটারদের অনুপস্থিতির কথা জানায়।
চ্যানেল টুয়েন্টিফোর দুপুর পৌনে ১২টায় সরাসরি সমপ্রচারে জানায়, খুলনা-৩ আসনের ৩০নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩নং বুথে ৭০০ ভোটের মধ্যে ১৫টি ভোট পড়েছে। একই চ্যানেল পার্শ্ববর্তী শশীভুষণ কেন্দ্রের অবস্থা জানায়। ২৭০০ ভোটারের এ কেন্দ্রে সকাল থেকে ভোটার না থাকলেও হঠাত্ করে ২০-২৫ জন ভোটার এসে লাইনে দাঁড়ায়। চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের অ্যাঙ্কর ফারাবী হাফিজ অনেকটা ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, যাক সারাদিনে একটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের পরিবেশ দেখে ভালো লাগলো।
দুপুর ১২টায় চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের সিনিয়র রিপোর্টার আজিজুর রহমান কিরন ঢাকা-১৮ আসনের মোল্লারটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা জানিয়ে বলেন, ওই স্কুলে মোট ভোট কেন্দ্র ৬টি। ভোটার ৩৬ হাজার। ভোট গ্রহণের কক্ষ ৩৭টি। সকাল থেকে ওই কেন্দ্রে কোনো ভোটারের উপস্থিতি দেখা যায়নি।
একই টেলিভিশন লালবাগ থেকে লালবাগ মডেল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রের অবস্থা সরাসরি সমপ্রচার করে। এতে দেখা যায়, মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী সেলিম ভোটকেন্দ্রে যান শতাধিক লোকজন নিয়ে। এর আগে কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ ফাঁকা ছিল। হাজী সেলিমের সঙ্গে কিছু লোক সেখানে যান। টিভি ক্যামেরার সামনে হাজী সেলিম বলেন, পুরনো ঢাকার মানুষ বোমার আওয়াজের মধ্যেই ভোট দিতে এসেছে। ৩/৪টা কেন্দ্র ছাড়া কোথাও বাধা পায়নি। তিনি বলেন, বিএনপি এলে ভালোভাবে নির্বাচন করতে পারতাম। তিনি ভোটকে জব্বারের বলি খেলার সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এই বলি খেলায় যার জোর বেশি সেই জিতবে।
চ্যানেল টুয়েন্টিফোরে রিপোর্টার শাহেদ আলম মিরপুর থেকে ১২টা ২০ মিনিটে জানান, একটি বুথে ৬৪৭ জন ভোটের মধ্যে ২২টি ভোট পড়েছে। অপর বুথে ৬৪৭টির মধ্যে পড়েছে ২৫টি ভোট ।
সাড়ে ১২টায় বাংলাভিশন মিরপুরের একটি কেন্দ্রের চিত্র তুলে ধরে জানায়, ভোটার উপস্থিতি বেশ কম। দুটি ভোট কেন্দ্রের ৮টি বুথে ৫৩৪৬ ভোট। ভোট পড়েছে ৪০০, যা হিসাবে ১০ শতাংশের কম।
দুপুর একটার বুলেটিনে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন ঢাকা-১৬ আসনে মিরপুর বাংলা কলেজের চিত্র দেখায়। রিপোর্টার নাফিসা দৌলা বলেন, ওই ভোটকেন্দ্রে যেন ভোটারের হাহাকার। কোন লাইনের লেশমাত্র নেই। ওই কলেজে মোট ৫টি কেন্দ্র। ভোটার ১৫ হাজারের বেশি। ১২টা ৪০ পর্যন্ত ৫টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে মাত্র ৪০০। কেন্দ্রে ভোটার থেকে কর্মীও সংখ্যাই বেশি বলে জানানো হয়।
বাংলাভিশন জানায়, দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঢাকা-৭ আসনের বদরুন্নেসা সরকারি কলেজ কেন্দ্রের আড়াই হাজার ভোটার হলেও ভোট পড়েছে ২৩৭টি। পার্শ্ববর্তী ঢাকা আলিয়া মাদরাসা বা অন্যান্য কেন্দ্রেও ভোটার উপস্থিতি একেবারেই কম ছিল।
দুপুর সাড়ে ১২টায় এনটিভি জানায়, পুরনো ঢাকার সরকারি মুসলিম হাইস্কুল কেন্দ্রের ভোট পড়েছে ২৫টি থেকে ৩৫টি পর্যন্ত।
বাংলাভিশন ঢাকা-১৭ আসনের সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে জানায়, দুপুর ১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ওই কেন্দ্রে ভোটারের তেমন কোনো উপস্থিতি নেই। ২৯২১ জনের মধ্যে ১০০ জনের মতো ভোট দিয়েছেন। পুরো কেন্দ্র ছিল ফাঁকা। বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে একুশে টেলিভিশনে পল্লবীর কালশী ইসলামিয়া মাদরাসার খবর জানিয়ে বলা হয়, সেখানে ভোটারদের কোনো উপস্থিতি নেই। একুশে টেলিভিশন সাড়ে তিনটার দিকে জানায়, মিরপুরের ওই কেন্দ্রে আগের দুই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে দুটি।
এদিকে সরেজমিন দেখা যায়, ঢাকা-১৮ আসনের উত্তরার নবাব হাবিবউল্লাহ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে আড়াই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে মাত্র ১৪টি। এখানে ছয় বুথের তিনটিতে কোনো ভোটই পড়েনি। এটি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের আসন। তিন কেন্দ্রে মোট ভোট সাড়ে ৮ হাজার।
একই আসনের উত্তরা রাজউক মডেল স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে প্রথম দেড় ঘণ্টায় মাত্র ৫টি ভোট পড়েছে। চারটি বুথ ছিল এ প্রতিষ্ঠানে। সব মিলিয়ে ভোটার আট হাজারেরও বেশি। দায়িত্বরত সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার জানিয়েছেন, সাড়ে নয়টা পর্যন্ত এ কেন্দ্রে মাত্র পাঁচজন ভোটার ভোট দিয়েছেন। ভোট কেন্দ্রের বাইরে ভোটারের উপস্থিতি খুবই কম।
যাত্রাবাড়ীর শহীদ জিয়া স্মৃতি গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত দেড়ঘণ্টায় মাত্র ৯ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন।

Thank you for visited me, Have a question ? Contact on : youremail@gmail.com.
Please leave your comment below. Thank you and hope you enjoyed...

0 comments:

Post a Comment