Sporty Magazine official website |

হদিস মিলেছে ভ্যানচালক জাহাঙ্গীরের

Wednesday, January 29, 2014

Share this history on :
খোঁজ মিলেছে সেই রিকশাভ্যানচালক জাহাঙ্গীরের। ১০ জানুয়ারি উত্তরা থেকে যেভাবে জাহাঙ্গীর আলমকে ধরা হয়েছিল, তা যেন একটি রোমাঞ্চকর ছবির দৃশ্যকেও হার মানায়।
১৮ দিন পর সেই জাহাঙ্গীরের খোঁজ মিলেছে বনানী থানায়। প্রকাশ্যে চিত্কার ও হইচই করার অভিযোগে তাঁকে ওই থানায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ বুধবার তাঁকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়েছে।

২৭ জাুনয়ারি প্রথম আলোয় ‘ভ্যানচালক জাহাঙ্গীরের হদিস মিলছে না’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়। এর দুই দিন পর হদিস পাওয়া গেল জাহাঙ্গীরের।
প্রথম আলোকে দেওয়া বনানী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা পারভীনের ভাষ্য, গতকাল রাতে জাহাঙ্গীর আলমকে বনানী থানায় নিয়ে আসা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশ অধ্যাদেশের ১৭৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। অর্থাত্ জাহাঙ্গীর ‘গণবিরক্তি’র উদ্রেক করেছেন। এই ধারায় গ্রেপ্তার হওয়া যে কেউ জামিন পেতে পারেন বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
জাহাঙ্গীরের ভাই আলমগীর হোসেনের ভাষ্য, জাহাঙ্গীরের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। বনানী থানা থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

জাহাঙ্গীরের স্বজনদের ভাষ্য, মাস খানেক আগে উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ১৭ নম্বর রোডের ১৮ নম্বর বাসার তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে আসবাব ওঠাতে জাহাঙ্গীর ও তাঁর বাবা নবর উদ্দিনের রিকশাভ্যান ভাড়া করেছিলেন মেহেদী মাসুদ নামের একজন ব্যবসায়ী। নতুন ভাড়া বাসায় সব মালামাল ওঠানো হলেও একটি খাট বসানো হয়নি। খাটটি বসানোর জন্য ১০ জানুয়ারি বিকেলে মেহেদী মাসুদ জাহাঙ্গীরকে ফোন করেন। কিন্তু মাগরিবের নামাজের পর র্যাব পরিচয় দিয়ে পাঁচজন মাসুদ ও জাহাঙ্গীরকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়। পাঁচজনের মধ্যে একজনের মাথার চুল বড় এবং বাকি চারজনের চুল ছোট করে ছাঁটা। অস্ত্র না থাকলেও তাদের কয়েকজনের হাতে ওয়্যারলেস সেট ছিল।

নবর উদ্দিন বলেন, ‘আমি পিছন পিছন নাইমা দেখি, মাসুদকে সাদা রঙ্গের তেলের ট্যাংকির মোটরসাইকেলে তুলা হইতেছে। আর জাহাঙ্গীরকে কালো মোটরসাইকেলে লইয়্যা যায়। জাহাঙ্গীরের কোনো দোষ থাকলে, আমারে লইলো না ক্যান?’

উত্তরার ১৩ ও ১২ নম্বর সেক্টর ঘুরে জানা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে জাহাঙ্গীর ও তাঁর ভাই আলমগীর হোসেনের সঙ্গে নবর উদ্দিন ভ্যান চালিয়ে আসছেন। পাশাপাশি চুক্তি ভিত্তিতে উত্তরার বিভিন্ন বাসার মালামাল পরিবহনের কাজ করেন তাঁরা।

তবে মেহেদী মাসুদ কোথায়, এ ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। র্যাবের গণমাধ্যম শাখার প্রধান এ টি এম হাবিবুর রহমান মেহেদী মাসুদ সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন। স্বজনদের অভিযোগ জানানোর কথাও তিনি বলেন।
Thank you for visited me, Have a question ? Contact on : youremail@gmail.com.
Please leave your comment below. Thank you and hope you enjoyed...

0 comments:

Post a Comment