Sporty Magazine official website |

মার্চের মধ্যে আরও ২০০ উপজেলায় নির্বাচন

Monday, January 20, 2014

Share this history on :
আগামী মার্চের মধ্যে আরও দুই শতাধিক উপজেলায় নির্বাচনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। এ জন্য কমিশন ভোট গ্রহণের সম্ভাব্য দিনও ঠিক করেছে। তবে মার্চ ও এপ্রিল জুড়ে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা থাকায় কমিশন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণা করবে।
ইতিমধ্যে কমিশন গতকাল রোববার ১০২টি উপজেলায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। এসব উপজেলায় ভোট গ্রহণ হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি।
কমিশন সচিবালয় সূত্র জানায়, কমিশন ২৭ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপে ১১৭টি উপজেলায় নির্বাচন করার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া ১৮ মার্চ তৃতীয় ধাপে, ২৫ মার্চ চতুর্থ ধাপে এবং মে-জুনে শেষ ধাপে ভোট গ্রহণ হবে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ আজ সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে মেয়াদ শেষের আগেই কমিশন সব উপজেলার নির্বাচন শেষ করতে চায়। এ জন্য দুই-চার দিনের মধ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।
কমিশন সচিবালয় সূত্র জানায়, আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে নির্বাচন কমিশনও ছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। বৈঠক হবে বেলা ১১টায় আগারগাঁওয়ের জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের সম্মেলনকক্ষে।
দুই সাংসদকে শুনানিতে ডেকেছে ইসি
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত যশোর-১ আসনের সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন ও যশোর-২ আসনের সাংসদ মনিরুল ইসলামকে শুনানিতে ডেকেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন সচিবালয় সূত্র জানায়, কারণ দর্শানো নোটিশের জবাবে আওয়ামী লীগ দলীয় দুই সাংসদ যে জবাব দিয়েছেন, তাতে কমিশন সন্তুষ্ট হতে পারেনি।
১ জানুয়ারি অভিযোগকারী শাহিন উল কবিরের অভিযোগে বলা হয়েছিল, দুই সাংসদ দলীয় নেতা-কর্মীদের এই বলে নির্দেশ দিয়েছেন যে প্রতিটি কেন্দ্রে ১০০ জন কর্মী কেন্দ্র দখল করে দুপুর ১২টার মধ্যে নৌকা প্রতীকের জয় নিশ্চিত করবে। দুই প্রার্থী এ বিষয়ে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছিলেন। অভিযোগকারী অভিযোগের পক্ষে কমিশনে অডিও সিডি জমা দেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন একটি নির্বাচনী তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে কমিটি অভিযোগের সত্যতা পায় এবং তা কমিশনে জমা দেয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন নবনির্বাচিত এই দুই সাংসদের নাম গেজেটে প্রকাশ করেনি। উল্টো ৭ জানুয়ারি তাঁদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়।
নোটিশের জবাবে দুই সাংসদ বলেন, অভিযোগ সত্য নয়। অভিযোগকারী অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় অন্য কারও কণ্ঠ বিকৃত করে তা দুই সাংসদের কণ্ঠ বলে প্রমাণের চেষ্টা করছে। তাঁরা আরও বলেন, নির্বাচনী তদন্ত কমিটি আদৌ কোনো তদন্ত করেনি এবং তদন্তের অংশ হিসেবে তাঁদের কোনো সাক্ষাত্কারও গ্রহণ করেনি।
Thank you for visited me, Have a question ? Contact on : youremail@gmail.com.
Please leave your comment below. Thank you and hope you enjoyed...

0 comments:

Post a Comment