সাভারে ধসে পড়া রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি অভিযানসহ
ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিতে আজ শুক্রবার সমাবেশ
এবং মানববন্ধন করেছে বিভিন্ন সংগঠন।
মানববন্ধন শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্পশ্রমিক ফেডারেশন, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট ও টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের নেতাসহ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারাও বক্তব্য দেন।
সমাবেশে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশরাফ উদ্দিন খান বলেন, রানা প্লাজা ধসে হতাহতদের নিয়ে একটি চক্র বাণিজ্য শুরু করেছে। তাদের দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। আর যাঁরা মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, তদন্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
আশরাফ উদ্দিন খান বলেন, এখনো অনেক শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন, যাঁদের হাড়গোড় আজও ধ্বংসস্তূপের ভেতরে চাঁপা পড়ে আছে। মাঝেমধ্যেই তা বের করে আনছে পথশিশুরা। আর পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, এগুলো গরুর হাড়গোড়।
অতিদ্রুত ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হাড়গোড় ও মাথার খুলির ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাড়গোড় নিয়ে বিভ্রান্তমূলক বক্তব্য দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সহসভাপতি আবু হোসাইন বলেন, নিখোঁজ শ্রমিকদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য ধ্বংসস্তূপে তল্লাশির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এখনো অনেক শ্রমিক ক্ষতিপূরণ পাননি। বিদেশ থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ সাহায্য আসছে। এই সাহায্যের অর্থ যাতে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে গিয়ে পৌঁছে সে ব্যবস্থা করতে হবে।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, এখনো নিখোঁজদের স্বজনেরা রানা প্লাজার সামনে লাশ খুঁজে বেড়ান, তাঁদের কান্নায় ওই এলাকার বাতাস প্রায়ই ভারী হয়ে ওঠে। কিন্তু এই কান্নার রোল প্রশাসনের দোরগোড়ায় গিয়ে পৌঁছে না। আর এ কারণেই ধ্বংসস্তূপে হাড়গোড় বের হওয়ার পরেও সেখানে তল্লাশির ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। বরং তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
মানববন্ধন শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্পশ্রমিক ফেডারেশন, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট ও টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের নেতাসহ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারাও বক্তব্য দেন।
সমাবেশে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশরাফ উদ্দিন খান বলেন, রানা প্লাজা ধসে হতাহতদের নিয়ে একটি চক্র বাণিজ্য শুরু করেছে। তাদের দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। আর যাঁরা মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, তদন্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
আশরাফ উদ্দিন খান বলেন, এখনো অনেক শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন, যাঁদের হাড়গোড় আজও ধ্বংসস্তূপের ভেতরে চাঁপা পড়ে আছে। মাঝেমধ্যেই তা বের করে আনছে পথশিশুরা। আর পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, এগুলো গরুর হাড়গোড়।
অতিদ্রুত ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হাড়গোড় ও মাথার খুলির ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি হাড়গোড় নিয়ে বিভ্রান্তমূলক বক্তব্য দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সহসভাপতি আবু হোসাইন বলেন, নিখোঁজ শ্রমিকদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য ধ্বংসস্তূপে তল্লাশির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এখনো অনেক শ্রমিক ক্ষতিপূরণ পাননি। বিদেশ থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ সাহায্য আসছে। এই সাহায্যের অর্থ যাতে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে গিয়ে পৌঁছে সে ব্যবস্থা করতে হবে।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড শিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, এখনো নিখোঁজদের স্বজনেরা রানা প্লাজার সামনে লাশ খুঁজে বেড়ান, তাঁদের কান্নায় ওই এলাকার বাতাস প্রায়ই ভারী হয়ে ওঠে। কিন্তু এই কান্নার রোল প্রশাসনের দোরগোড়ায় গিয়ে পৌঁছে না। আর এ কারণেই ধ্বংসস্তূপে হাড়গোড় বের হওয়ার পরেও সেখানে তল্লাশির ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। বরং তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
0 comments:
Post a Comment