
এই স্বাধীন সাংবাদিকতা যে দেশের রাজনীতিবিদদের প্রায়ই অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ফেলে দেয়, এ কথাও বলেন ক্যামেরন।
গতকাল শুক্রবার দ্য টেলিগ্রাফ পত্রিকার অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত বৃহস্পতিবার রাতে হাউস অব কমন্সে ওয়েস্টমিনস্টারের রাজনৈতিক প্রতিবেদকদের সম্মানে দেওয়া এক নৈশভোজে এসব কথা বলেন ক্যামেরন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম হাঁকডাকে ভরা, নাছোড় ধাঁচের, নিয়ন্ত্রণ অসাধ্য এবং সংশয়পূর্ণ, তা রাজনীতিবিদদের জীবন প্রায়ই অস্বস্তিকর করে তোলে। তবে ব্রিটিশ রাজনৈতিক প্রতিবেদনে অনুসন্ধান, তদন্ত ও খুঁটিনাটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যে কাঙ্ক্ষিত বিষয় তুলে ধরা হয়, তা বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে গণমাধ্যমের যে স্বাধীনতা, তা বিশ্বের বুকে দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। এসব হচ্ছে গণতন্ত্র সংহত রাখার অপরিহার্য উপাদান।
ক্যামেরন স্বীকার করেন, রাজনীতিবিদদের সঙ্গে দেশটির গণমাধ্যমের সম্পর্ক সাংঘর্ষিক। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা আমাদের সমালোচনা করেন, আমরা আপনাদের ওপর খেপে যাই। এটা বারবার ঘটে। রাজনীতি ও জনজীবনকে মূল্য দিয়ে থাকি বলেই আমরা এর কেন্দ্রবিন্দুতে আছি।’
0 comments:
Post a Comment