
মাদারীপুর: জেলার রাজৈর উপজেলার বদরপাশা ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে (১৫) অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে ওই ধর্ষিতাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় তিন ধর্ষক ঘটনার পর থেকে পলাতক।
পুলিশ, হাসপাতাল ও ধর্ষিতার বিবরণে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে ওই শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। কিছুদূর আসার পর নয়ানগর এলাকার নির্জন স্থানে ওঁৎ পেতে থাকা একই উপজেলার বদরপাশা গ্রামের ফেরদৌস শেখ, রোমান মিয়া ও অজ্ঞাত এক বখাটে অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে।
এরপর ওই ছাত্রীর মুখ বেঁধে পার্শ্ববর্তী গমক্ষেতে নিয়ে গিয়ে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থীর আত্মীয়-স্বজন প্রথমে রাজৈর উপজেলা হাসপাতাল ও পরে রাতে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে পুলিশের সহযোগিতায় ভর্তি করে।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ধর্ষিতার মা জানান, ‘আমার মেয়ে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিবে। এই ঘটনার পর থেকে আমরা মানসিক ও সামাজিকভাবে ভেঙে পড়েছি। এখন আমার মেয়ের পরীক্ষা দেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আমি আমার মেয়ের ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
রাজৈর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক। তবে তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।’
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সিদ্দিকুর রহমান জানান, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে আলামত সংগ্রহ করে রেখেছি। দু-এক দিনের মধ্যে মেডিকেল রিপোর্ট দেওয়া হবে।’
মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম কুমার পাল জানান, ‘আসামিদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করি শিগগিরই তারা ধরা পড়বে।’
বৃহস্পতিবার রাতে ওই ধর্ষিতাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় তিন ধর্ষক ঘটনার পর থেকে পলাতক।
পুলিশ, হাসপাতাল ও ধর্ষিতার বিবরণে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে ওই শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। কিছুদূর আসার পর নয়ানগর এলাকার নির্জন স্থানে ওঁৎ পেতে থাকা একই উপজেলার বদরপাশা গ্রামের ফেরদৌস শেখ, রোমান মিয়া ও অজ্ঞাত এক বখাটে অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে।
এরপর ওই ছাত্রীর মুখ বেঁধে পার্শ্ববর্তী গমক্ষেতে নিয়ে গিয়ে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থীর আত্মীয়-স্বজন প্রথমে রাজৈর উপজেলা হাসপাতাল ও পরে রাতে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে পুলিশের সহযোগিতায় ভর্তি করে।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ধর্ষিতার মা জানান, ‘আমার মেয়ে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিবে। এই ঘটনার পর থেকে আমরা মানসিক ও সামাজিকভাবে ভেঙে পড়েছি। এখন আমার মেয়ের পরীক্ষা দেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আমি আমার মেয়ের ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
রাজৈর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক। তবে তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।’
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সিদ্দিকুর রহমান জানান, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে আলামত সংগ্রহ করে রেখেছি। দু-এক দিনের মধ্যে মেডিকেল রিপোর্ট দেওয়া হবে।’
মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম কুমার পাল জানান, ‘আসামিদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করি শিগগিরই তারা ধরা পড়বে।’
0 comments:
Post a Comment