
যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্যের জন্য বড় একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমাদের কর্ম-সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। এ জন্য আমরা অনুকূল পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছি। আগামী নির্বাচন কখন হবে, তা সমঝোতার মাধ্যমে ঠিক করা হবে।
আজ সোমবার দুপুরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার কালনা সেতু প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে যোগাযোগমন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, গোপালগঞ্জের মধুমতী নদীর ওপর কালনা পয়েন্টে চার লেনবিশিষ্ট কালনা সেতু নির্মাণ খুব শিগগিরই শুরু হবে। গতকাল রোববার একনেক সভায় ওই সেতু নির্মাণ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। আগামী ২০১৭ সালের জুন মাসের মধ্যে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই সেতুটিরও নির্মাণকাজ শেষ হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলে বেনাপোল স্থলবন্দরের সঙ্গে ঢাকার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। বেনাপোল-যশোর-নড়াইল-প্রস্তাবিত কালনা ব্রিজ-ভাটিয়াপাড়া-ভাঙ্গা-প্রস্তাবিত পদ্মা ব্রিজ-মাওয়া-ঢাকা-সিলেট-তামাবিল রুটের মাধ্যমে রিজিওনাল কানেকটিভিটি স্থাপন হবে। ওই সব জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে এবং দূরত্ব কমবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। এতে প্রকল্প এলাকাসহ সমগ্র দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে বলে তিনি জানান।
এ সময় সড়ক ও জনপথ বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল কাশেম ভূঁইয়া, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. ইকবাল, নির্বাহী প্রকৌশলী সমীরণ রায়, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সোলায়মান বিশ্বাস, টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার মেয়র ইলিয়াস হোসেন সরদারসহ স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, গোপালগঞ্জের মধুমতী নদীর ওপর কালনা পয়েন্টে চার লেনবিশিষ্ট কালনা সেতু নির্মাণ খুব শিগগিরই শুরু হবে। গতকাল রোববার একনেক সভায় ওই সেতু নির্মাণ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। আগামী ২০১৭ সালের জুন মাসের মধ্যে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই সেতুটিরও নির্মাণকাজ শেষ হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলে বেনাপোল স্থলবন্দরের সঙ্গে ঢাকার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। বেনাপোল-যশোর-নড়াইল-প্রস্তাবিত কালনা ব্রিজ-ভাটিয়াপাড়া-ভাঙ্গা-প্রস্তাবিত পদ্মা ব্রিজ-মাওয়া-ঢাকা-সিলেট-তামাবিল রুটের মাধ্যমে রিজিওনাল কানেকটিভিটি স্থাপন হবে। ওই সব জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে এবং দূরত্ব কমবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। এতে প্রকল্প এলাকাসহ সমগ্র দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে বলে তিনি জানান।
এ সময় সড়ক ও জনপথ বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল কাশেম ভূঁইয়া, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. ইকবাল, নির্বাহী প্রকৌশলী সমীরণ রায়, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান সোলায়মান বিশ্বাস, টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার মেয়র ইলিয়াস হোসেন সরদারসহ স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
0 comments:
Post a Comment