
আমিনুলের বাবার নাম আব্দুল কুদ্দুস, পেশায় রিকশা চালক। গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার দূর্গাপুর। সে বাবা-মায়ের সঙ্গে পশ্চিম মালিবাগ রেলওয়ে বস্তিতে থাকতো। নিহত লালমোহনও একই এলাকার বাসিন্দা।
আমিনুলের মা আমেনা বেগম জানান, সকালে কমলাপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া ইজতেমাগামী একটি ট্রেনের ছাদের ওপর থেকে মুসল্লিরা চকলেট ছোড়ে ফেলে। এ সময় চকলেট কুড়াতে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী অপর একটি ট্রেনের ধাক্কায় তারা দুজন আহত হয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের ১০৩ নম্বর ওয়ার্ডে নিউরো সার্জারি বিভাগের চিকিত্সক রাজিবুল হাসান জানান, তাদের মাথার আঘাত থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষণের ফলে মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, প্রতিবেশী শিশু আমিনুলকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেই ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন। তাঁর নাম লাল মোহাম্মদ (৫০)। এ দিন মজুর লাল মোহাম্মদ মগবাজার ওয়ারলেস রেল লাইন সংলগ্ন ছাপড়া ঘর পরিবার নিয়ে থাকতেন। স্ত্রী নাজমা বেগম ও এক ছেলেকে নিয়ে মগবাজারে থাকতো সে।
0 comments:
Post a Comment