
আজ শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহের ত্রিশাল শহরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চার লেনের কাজের প্রথম সেতুটির উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যোগাযোগমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির মতো একটি বড় দল আজ সংসদে নেই, এটা আমরা উপলব্ধি করছি। তারা সরকারে না থাকলেও বিরোধী দলে থাকতো।’ মধ্যবর্তী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সময় ও পরিস্থিতিই তা বলে দেবে।
বিএনপি উপজেলা নির্বাচনে আসায় তাদের স্বাগত জানিয়ে যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকারকে অবৈধ বলছে এবং নির্বাচন কমিশনকে মেরুদণ্ডহীন বলছে। অথচ এই নির্বাচন কমিশনের অধীনেই তারা নির্বাচন করে পাঁচটি সিটি করপোরেশনে জয়ী হয়েছে।
যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ চার লেন সড়কের ইতিমধ্যে ২৪ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দুটি প্যাকেজের পাঁচটি সেতুর মধ্যে একটি আজ উদ্বোধন হয়েছে। বাকি চারটি মার্চের মধ্যে উদ্বোধন করা হবে। মহাসড়কের ৯৮টি কালভার্টের মধ্যে ৬৬টির নির্মাণ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। মার্চ নাগাদ বাকিগুলোও শেষ হবে। এই সড়কের ১ ও ২ নম্বর প্যাকেজের কাজ মামলার জন্য দুবছর বন্ধ ছিল। সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়ার পর দ্রুত কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। গাজীপুরের সালনায় একটি ওভারপাস এবং মাওনাতে একটি ফ্লাইওভারের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আড়াই মাস রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কাজের গতি কমে গেলেও এখন কাজে নতুন গতি পেয়েছে। ৩ ও ৪ নম্বর প্যাকেজের কাজ আমরা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষে করতে চাই।’ সেনাবাহিনী করা কাজও আগামী অর্থবছরে সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চার লেনের কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেন যোগাযোগমন্ত্রী।
ত্রিশাল সদরে সুতিয়া নদীর উপর পাঁচ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬০ মিটার দীর্ঘ সেতু উদ্বোধনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন সরকার, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ চার লেন সড়কের প্রকল্প পরিচালক হাফিজুর রহমান, ময়মনসিংহ পৌর মেয়র ইকরামুল হক, ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, ত্রিশালের ইউএনও নাসির উদ্দিন, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ চার লেন সড়কের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মনোয়ারুজ্জামান প্রমুখ।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির মতো একটি বড় দল আজ সংসদে নেই, এটা আমরা উপলব্ধি করছি। তারা সরকারে না থাকলেও বিরোধী দলে থাকতো।’ মধ্যবর্তী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সময় ও পরিস্থিতিই তা বলে দেবে।
বিএনপি উপজেলা নির্বাচনে আসায় তাদের স্বাগত জানিয়ে যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকারকে অবৈধ বলছে এবং নির্বাচন কমিশনকে মেরুদণ্ডহীন বলছে। অথচ এই নির্বাচন কমিশনের অধীনেই তারা নির্বাচন করে পাঁচটি সিটি করপোরেশনে জয়ী হয়েছে।
যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ চার লেন সড়কের ইতিমধ্যে ২৪ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দুটি প্যাকেজের পাঁচটি সেতুর মধ্যে একটি আজ উদ্বোধন হয়েছে। বাকি চারটি মার্চের মধ্যে উদ্বোধন করা হবে। মহাসড়কের ৯৮টি কালভার্টের মধ্যে ৬৬টির নির্মাণ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। মার্চ নাগাদ বাকিগুলোও শেষ হবে। এই সড়কের ১ ও ২ নম্বর প্যাকেজের কাজ মামলার জন্য দুবছর বন্ধ ছিল। সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়ার পর দ্রুত কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। গাজীপুরের সালনায় একটি ওভারপাস এবং মাওনাতে একটি ফ্লাইওভারের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আড়াই মাস রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কাজের গতি কমে গেলেও এখন কাজে নতুন গতি পেয়েছে। ৩ ও ৪ নম্বর প্যাকেজের কাজ আমরা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষে করতে চাই।’ সেনাবাহিনী করা কাজও আগামী অর্থবছরে সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চার লেনের কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেন যোগাযোগমন্ত্রী।
ত্রিশাল সদরে সুতিয়া নদীর উপর পাঁচ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬০ মিটার দীর্ঘ সেতু উদ্বোধনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন সরকার, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ চার লেন সড়কের প্রকল্প পরিচালক হাফিজুর রহমান, ময়মনসিংহ পৌর মেয়র ইকরামুল হক, ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, ত্রিশালের ইউএনও নাসির উদ্দিন, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ চার লেন সড়কের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মনোয়ারুজ্জামান প্রমুখ।
0 comments:
Post a Comment