
চাঁদপুর-শরিয়তপুর
হরিনা ফেরিঘাটে দীর্ঘ দিন যাবত ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছে
ব্যবসায়ী ও দক্ষিনাঞ্চলের বাস যাত্রীরা। হরিণাঘাট থেকে পণ্টুন সরিয়ে নদী
ভাঙ্গন রক্ষায় বালুর বস্তা ডাম্পিং করার কারণে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণরূপে
বন্ধ রয়েছে।
গত রোববার সকালে হরিণাঘাট থেকে পণ্টুন সরিয়ে ঠিকাদাররা ভাঙ্গন রক্ষার কাজ
শুরু করে। এতে করে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় শরিয়তপুর ঘাটে বেশ কিছু মালবাহী
ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসসহ ছোট-বড় যানবাহন আটকে আছে। হরিণা ভাঙ্গনে এ বছর
বেশ ক’টি বাড়িঘর দোকানপাট নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙ্গন রক্ষায়
দীর্ঘদিন যাবত এ এলাকার মানুষ আন্দোলন সংগ্রামের পর সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী
(চাঁদপুর-৩) আসনের এমপি ডা. দীপু মনির অক্লান্ত প্রচেষ্টা অবশেষে হরিণা
ভাঙ্গন রক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। হরিণা ৬শ’ ৪০ মি. ভাঙ্গন এলাকায় বালুর বস্তা
ফেলে প্রায় ৬ কোটি টাকার কাজ এখন শেষ পর্যায়। ফেরিঘাটের পন্টুন সরিয়ে
বালুর বস্তা নদীতে ডাম্পিং করে স্থায়ী ভাবে ভাঙ্গন রক্ষার জন্য কাজ করা
হচ্ছে।
ফেরিঘাটের ম্যানেজার ইমরান খান জানায়, ভাঙ্গন রক্ষার ঠিকাদাররা পন্টুন
সরিয়ে কাজ করছে। এর কারনে ফেরি চলাচল বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। কাজ শেষ হওয়া
মাত্র পণ্টুন ঘাটে লাগানোর পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে। ফেরি চলাচল
স্বাভাবিক হওয়া মাত্রই তা পারাপার করা হবে।
কয়েকজন ট্রাক চালক জানায়, দীর্ঘ কয়েকদিন ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় ব্যাবসায়ীরা
ও জনসাধারণ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বিশেষ করে কাচাঁমাল ব্যাবসায়ীরা তাদের
মালামাল ট্রাকযোগে আনতে না পাড়ায় অনেক লোকসান পোঁহাতে হচ্ছে। একই সাথে লিজ
আনা ফেরির মালিক ও কর্তৃপক্ষ বিপুল অঙ্কের টাকা লোকসানে পড়েছে।
আর এ জন্য সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শুধু হরিণা ঘাট মেরামত নয়
নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় প্রায় সময় চাঁদপুর-শরিয়তপুর নৌপথে চলাচলকারী ফেরি
সার্ভিসগুলো ডুবো চরে আটকা পড়তে হচ্ছে। তাই ডুবো চরগুলোকে ড্রেজিং করে নদীর
নাব্যতা বৃদ্ধির প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
Thank you for visited me, Have a question ? Contact on : youremail@gmail.com.
Please leave your comment below. Thank you and hope you enjoyed...
0 comments:
Post a Comment