
বগুড়ায় আজ বৃহস্পতিবার প্রচণ্ড ঠান্ডা পড়েছে। ঘন কুয়াশার সঙ্গে কনকনে বাতাস বইছে। এর মধ্যে চলছে বগুড়া-৭ আসনের ভোট গ্রহণ।
গাবতলী উপজেলার বেশির ভাগ ভোটকেন্দ্রই অনেকটা ফাঁকা। নেই ভোটারদের লম্বা লাইন। দু-একজন করে আসছেন ভোট দিতে।
উপজেলার ৪৬টি কেন্দ্রে সকাল আটটায় একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। আজ বগুড়ায় সর্বাচ্চে তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৫ ও সর্বনিম্ন ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আমাদের এই দুই প্রতিনিধি বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে জানান, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে গাবতলী পাইলট উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, প্রথম এক ঘণ্টায় এই কেন্দ্রে আটটি ভোট পড়েছে।
শহীদ জিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মোমিনুল হক জানান, প্রথম ঘণ্টায় তাঁর কেন্দ্রে ১০টি ভোট পড়েছে।
প্রত্যন্ত এলাকায় থাকা পাঁচকাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডং কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান মুঠোফোনে এই প্রতিনিধিদের জানান, তাঁর এখানে ২০টির মতো ভোট পড়েছে।
গাবতলী উপজেলায় ৪৬টি কেন্দ্রে ভোটারসংখ্যা এক লাখ ১৫ হাজারের কিছু বেশি।
গতকাল বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনিরা সুলতানা প্রধম আলোকে বলেছিলেন, ৪৬টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে ২০-২৫ জন করে পুলিশ ও ১২ জন আনসার সদস্য থাকবেন। প্রতিটিতে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। এ ছাড়া দুটি কেন্দ্রের জন্য একটি করে পুলিশের মোবাইল টিম থাকবে। সেই টিমে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন।
স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনীর ১৫টি এবং র্যাব ও বিজিবির ১০টি করে টিম রয়েছে। নিবার্চনকে কেন্দ্র করে এখানে ৮২ জন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।
বগুড়া-৭ আসনে গাবতলীতে ৮৮টি ভোটকেন্দ্র ছিল। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের দিন প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রে হামলা, ব্যালট পেপার ও বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এমনকি প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মারধরের ঘটনা ঘটে। এর পরও সেখানকার ৪২টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করা হয়। ৪৬টি কেন্দ্রের ফল স্থগিত করা হয়।
0 comments:
Post a Comment