
পদস্থ কর্মকর্তাদের ‘মুক্তিযোদ্ধা সনদ’ নেওয়ার বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় যাচাইবাছাই করবে।
আজ বুধবার টেলিফোনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুস সোবহান সিকদার ‘প্রথম আলো’কে বিষয়টি জানিয়ে বলেন, ‘চাকরির মেয়াদ বাড়াতে বা অন্যান্য সুযোগ নিতে পদস্থ কর্মকর্তাদের মুক্তিযোদ্ধা সনদ নেওয়ার অভিযোগটি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা এমন অনৈতিকভাবে সনদ নিলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বেঁধে দেওয়া চার মানদণ্ডের আওতায় না পড়লে সনদ থাকলেও কেউ এ সুবিধা পাবেন না।
প্রসঙ্গত আজ ‘প্রথম আলো’য় ‘চাকরির শেষ সময়ে “মুক্তিযোদ্ধা সনদ” নেওয়ার হিড়িক’ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
গত পাঁচ বছরে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছেন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পেশার মোট ১১ হাজার ১৫০ জন। এর মধ্যে গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকজন সচিবের নাম অন্তর্ভুক্ত করে মুক্তিযোদ্ধা গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। তাঁরা হলেন স্বাস্থ্যসচিব নিয়াজ উদ্দিন মিঞা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সচিব কে এইচ মাসুদ সিদ্দিকী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসচিব এ কে এম আমির হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সচিব মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব খোন্দকার শওকত হোসেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবুল কাসেম তালুকদার। এভাবে সনদ নিয়েছেন চিকিত্সক, শিক্ষক, প্রকৌশলী, ব্যাংকারসহ বিভিন্ন শ্রেণীর সরকারি কর্মকর্তারা।
0 comments:
Post a Comment