
গতকাল রোববার বিকেলে সদর থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মেহেরপুর ইসলামী ব্যাংক প্রধান কার্যালয় ভবন থেকে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াজুল ইসলাম দাবি করেন, আজ ভোর চারটার দিকে সাইফুলকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধার ও আসামি গ্রেপ্তারে সদর উপজেলার বন্দর শ্মশানঘাট এলাকায় যায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সাইফুলের সমর্থকদের ‘বন্দুকযুদ্ধ’ হয়। একপর্যায়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। ঘটনাস্থল থেকে কিছু গুলি ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
সাইফুলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, জেলা জামায়াতের আমির ছমির উদ্দিনের জ্যেষ্ঠ ছেলে সাইফুল। পরিবার ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছে।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি রিয়াজুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাইফুলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সহিংসতা ও বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রায় নয়টি মামলা হয়।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্র জানায়, এক বছর আগে শহরে জামায়াত-শিবির তাণ্ডব চালায়। এরপর ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা জেলা জামায়াতের আমির ছমির উদ্দিনের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। ওই ঘটনার পর তিনি বিদেশে পালিয়ে গেলে তাঁর ছেলে সাইফুলকে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
গোয়েন্দা পুলিশ দাবি করেছে, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলার রাজনগর, বন্দর, কাথুলী মোড়সহ বিভিন্ন পয়েন্টে গাছ কেটে সড়ক অবরোধ, বোমা বিস্ফোরণ এবং পুলিশ-বিজিবির ওপর হামলা হয়। এ ঘটনার পর সাইফুল গা ঢাকা দেন।
0 comments:
Post a Comment