
তিন পরাশক্তির প্রস্তাব, আর এ নিয়ে ক্রিকেট জগতে তোলপাড় ছুঁয়ে যেতে বাধ্য বাংলাদেশের ক্রিকেটারদেরও। কিন্তু মুশফিক একটু দূরেই থাকতে চান এসব ব্যাপার থেকে। বিতর্কিত ব্যাপার-স্যাপার ছাপিয়ে মাঠের ক্রিকেটেই দলের সব খেলোয়াড়ের পূর্ণ মনোযোগ রয়েছে বলেই জানিয়েছেন তিনি, ‘দেখুন, আমরা বছরের খুব কমই টেস্ট খেলার সুযোগ পাই। যেগুলো খেলি, পূর্ণ মনোযোগ দিয়েই খেলি। সবার মনোযোগ ক্রিকেটেই রয়েছে।’
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রস্তুতি শতভাগ বলেই জানিয়েছেন। মুশফিক খুশি নিজের দলের ধারাবাহিকতায়, ‘গত বছর থেকেই আমাদের ব্যাটিংটা ভালো এবং ধারাবাহিক হচ্ছে। যেটা খুবই ভালো লক্ষণ।’ শ্রীলঙ্কা দল সম্পর্কে তাঁর পর্যবেক্ষণ, দলটার বোলিংয়ের চেয়ে ব্যাটিংয়ের গভীরতা বেশি। তবে বাংলাদেশ দলের ব্যাটসম্যানরাও ফর্মে আছেন বলেই আশ্বস্ত করতে চান তিনি, ‘আমাদের ব্যাটসম্যানরাও ফর্মে আছে। সেদিক থেকে আমরাও শক্তিশালী।’ দলের স্পিনার ও পেসারদের ওপরও আস্থা দলপতির, ‘আমাদের স্পিনাররাও বিশ্বমানের। আমাদের পেসারদেরও সামর্থ্য আছে। নিজেদের সামর্থ্য এখনো সেভাবে দেখাতে না পারলেও যেভাবে ওরা ধাপে ধাপে উন্নতি করছে, তাতে এটা তাদের জন্য একটা সুযোগও। চটজলদি কিছু উইকেট তো তুলে নিতে হবে। ধারাবাহিকভাবে যাতে ওরা চাপ দিয়ে সুযোগ তৈরি করতে পারে এবং আমরা যেন সেটা নিতে পারি। অন্যান্য দলে যেটা হয়ে থাকে সাধারণত। এবার আমরা তাকিয়ে আছি আমাদের পেস বোলারদের দিকে। আশা করছি এবার তারা কিছু করে দেখাবে।’
২২ গজের জায়গাটা ‘স্পোর্টিং’ হোক—এমনটাই চান মুশফিক, ‘এবার স্পোর্টিং উইকেটের চাহিদাই আমরা দিয়েছিলাম। আমার মনে হয় উইকেটটা খুবই ভালো হবে। সাকিব গতকাল যেটা বলেছে, আমারও তা-ই বিশ্বাস। এ উইকেটে যারা যত প্রয়োগক্ষমতা দেখাবে, তারাই তত সফল হবে। হোক সে পেসার, স্পিনার কিংবা ব্যাটসম্যান। শুরুতে ব্যাটসম্যানরা সামলে নিলে পরের দিকে খেলাটা সহজ হবে।’
প্রতিপক্ষের প্রতি দারুণ সম্মান ও শ্রদ্ধা মুশফিকের, ‘শ্রীলঙ্কা দলে আরও ভালো খেলোয়াড় আছেন। তাঁদের জন্যও পরিকল্পনা আছে আমাদের। আশা করছি সেই অনুযায়ী খেলতে পারব আমরা।’
কালকের প্রথম একাদশ নিয়ে মুশফিক অবশ্য কোনো ইঙ্গিত দেননি। কিছুটা রহস্য করেই তিনি বলেছেন, দলের ১৪ জনই খেলার জন্য প্রস্তুত। তবে খেলতে তো হবে ১১ জনকে।’ উদ্বোধনী জুটির প্রশ্নে মুশফিকের কণ্ঠে রসিকতা, ‘শুভ ও ইমরুলও খেলতে পারে, আবার না-ও পারে।’
0 comments:
Post a Comment