স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার দাবি মুশফিকুরের
বিশেষ
সংবাদদাতা : চলমান রাজনৈতিক সংঘাতময় পরিস্থিতিতে ঘরোয়া ক্রিকেট পর্যন্ত
হচ্ছে বাধাগ্রস্থ। সামনে অপেক্ষা করছে শ্রীলংকা ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর,
এশিয়া কাপ এবং টি-২০ বিশ্বকাপ। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে তিন তিনটি
আন্তর্জাতিক আসর আয়োজনে হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের
এসব খবর নিয়ে খেলোয়াড়রাও উদ্বিগ্ন। তবে এসব না ভেবে খেলায় মনোযোগ দেয়ার
কথাই বরং ভাবছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম-‘এক সময় মনে হয়েছিল, কেউ
আসবে কি, আসবে না। সত্যি বলতে, যেমন আবহাওয়া, পিচ কন্ডিশন আমাদের হাতে নাই,
ঠিক তেমন রাজনৈতিক পরিস্থিতিও আমাদের হাতে নেই। সেরা প্রস্তুতি কিভাবে
করা যায়, সেটা আমাদের হাতে আছে। তারা যদি না আসে তাহলে বিসিএল বা এনসিএল এ
খেলব। তবে তারা আসবে না, এমন পরিস্থিতি কিন্তু তৈরি হয়নি। আশা করছি সবাই
আসবে এবং আমরা তাদের সঙ্গে খেলবো।’
হরতাল অবরোধে অচল দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার আহ্বান রাজনীতিবিদদের কাছে করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক-‘আমরা ক্রিকেটাররা না খেললেও বাসায় তো অন্তত: তিন বেলা ভালো খেতে পারছি। যারা দিন আনে দিন খায়, তাদের কথা চিন্তা করেও যেন দেশে শান্তি ফিরে আসে। সে আহ্বানই জানাতে চাই।’
গত বছর শ্রীলংকা সফরে দারুন পারফরমেন্সের নেপথ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগ (বিসিএল)। এই বিসিএলএ খেলার সুফল গল টেস্টে রেকর্ড ৬৩৮ রানের ইনিংস, প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। এবারো শ্রীলংকা ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরের পূর্ব প্রস্তুতি বাংলাদেশ দল নিতে পারছে সেই বিসিএল’র মাধ্যমে! জাতীয় লিগের পরিবতর্তে বিসিএল আয়োজনকে তাই সময়োচিত মনে করছেন মুশফিকুর রহিম-‘বিসিএলএ সেরা চারটা দল খেলে। গত বছরও এটা হয়েছিল। খেলার মান ভালো থাকে। আমার মনে হয় ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দুটি ম্যাচ খেলতে পারলে, আমরা যারা রান করতে পারবো, উইকেট নিতে পারবো, এটা আমাদের জন্য প্লাস পয়েন্ট।’ পয়েন্ট হবে।’ শ্রীলংকার বিপক্ষে টেস্টে ড্র’র অতীত গত বছরই প্রথম। তাও আবার শ্রীলংকার মাটিতে। এবার হোমে শ্রীলংকাকে হতভম্ব করার কথা ভাবছেন মুশফিকুর‘তাদের রেকর্ড আমাদের সঙ্গে ভালো। শেষবার ওদের ওখানে গিয়ে আমরা ভালো খেলেছি। অন্তত: ভালো খেললে তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা যায়, এই আত্মবিশ্বাস আছে। একটা গ্রুপ হিসেবে এটা বিশ্বাস করতে শিখেছি আমরা। নিজেদের হোম কন্ডিশনে গত বছর আমরা খুব ভালো খেলেছি। আশা করবো, আমরা যদি আমাদের সেরাটা খেলতে পারি, ভয়ের কিছু নেই। বছরটা ভালো ভাবে শুরু করার সুযোগ আছে আমাদের সামনে।’
টপ অর্ডারে তামীমের পার্টনারের অভাব, তবে বিজয় দিবস টুয়েন্টি-২০ তে বিজয়ের ধারাবাহিক ব্যাটিং মুশফিকুরকে আশ্বস্ত করেছে। মুশফিকুরের ভাবনা শুধুই পেস বোলিং ডিপার্টমেন্ট নিয়ে-‘ জিততে হলে বা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলতে হলে আমাদের পেস বোলারদের অন্তত: ২০ উইকেটের মধ্যে ৮ উইকেট নিতে হবে। তা না হলে স্পিনারদের উপর নির্ভর করতে হবে, প্রতিপক্ষও জানবে আমাদের মূল শক্তি স্পিন। তারা ওই প্লানই প্ল্যান করবে। গত বছর শিপলু অনেক ভালো বোলিং করেছে। রুবেলও ভালো বোলিং করেছে। আল-আমিন আছে। তারা যদি এখানে ফিরে আসতে পারে। উইকেট না পেলেও ১-২টা উইকেট নিয়ে ইকোনমিক বল করতে পারে তাহলে স্পিনাররা চাপ দিতে পারবে।’
টি-২০ বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডেই আফগানিস্তানকে পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মাটিতে এশিয়া কাপেও খেলার সুযোগ পেয়েছে এই আফগানিস্তান। তবে আফগানিস্তানকে নিয়ে ভাবতে রাজি নন বাংলাদেশ অধিনায়ক-‘টি-২০ বিশ্বকাপে তাদের সঙ্গে আমাদের খেলতে হবে এবং তার আগে তাদের সঙ্গে খেলতে পারলে সেটা হবে প্লাস পয়েন্ট। আমার মনে হয় খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ ম্যাচ খেলার সুযোগ পাব। আমাদের কন্ডিশনে আমরা যদি ভালো খেলি, তাদেরকে হারাই, তাহলে তাদের আত্মবিশ্বাস কমে যাবে। বিপিএলে তারা অনেকে খেলেছে, প্রিমিয়ার লিগেও খেলেছে। তাদের সবার সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা আছে।’
হরতাল অবরোধে অচল দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার আহ্বান রাজনীতিবিদদের কাছে করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক-‘আমরা ক্রিকেটাররা না খেললেও বাসায় তো অন্তত: তিন বেলা ভালো খেতে পারছি। যারা দিন আনে দিন খায়, তাদের কথা চিন্তা করেও যেন দেশে শান্তি ফিরে আসে। সে আহ্বানই জানাতে চাই।’
গত বছর শ্রীলংকা সফরে দারুন পারফরমেন্সের নেপথ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগ (বিসিএল)। এই বিসিএলএ খেলার সুফল গল টেস্টে রেকর্ড ৬৩৮ রানের ইনিংস, প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। এবারো শ্রীলংকা ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরের পূর্ব প্রস্তুতি বাংলাদেশ দল নিতে পারছে সেই বিসিএল’র মাধ্যমে! জাতীয় লিগের পরিবতর্তে বিসিএল আয়োজনকে তাই সময়োচিত মনে করছেন মুশফিকুর রহিম-‘বিসিএলএ সেরা চারটা দল খেলে। গত বছরও এটা হয়েছিল। খেলার মান ভালো থাকে। আমার মনে হয় ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দুটি ম্যাচ খেলতে পারলে, আমরা যারা রান করতে পারবো, উইকেট নিতে পারবো, এটা আমাদের জন্য প্লাস পয়েন্ট।’ পয়েন্ট হবে।’ শ্রীলংকার বিপক্ষে টেস্টে ড্র’র অতীত গত বছরই প্রথম। তাও আবার শ্রীলংকার মাটিতে। এবার হোমে শ্রীলংকাকে হতভম্ব করার কথা ভাবছেন মুশফিকুর‘তাদের রেকর্ড আমাদের সঙ্গে ভালো। শেষবার ওদের ওখানে গিয়ে আমরা ভালো খেলেছি। অন্তত: ভালো খেললে তাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা যায়, এই আত্মবিশ্বাস আছে। একটা গ্রুপ হিসেবে এটা বিশ্বাস করতে শিখেছি আমরা। নিজেদের হোম কন্ডিশনে গত বছর আমরা খুব ভালো খেলেছি। আশা করবো, আমরা যদি আমাদের সেরাটা খেলতে পারি, ভয়ের কিছু নেই। বছরটা ভালো ভাবে শুরু করার সুযোগ আছে আমাদের সামনে।’
টপ অর্ডারে তামীমের পার্টনারের অভাব, তবে বিজয় দিবস টুয়েন্টি-২০ তে বিজয়ের ধারাবাহিক ব্যাটিং মুশফিকুরকে আশ্বস্ত করেছে। মুশফিকুরের ভাবনা শুধুই পেস বোলিং ডিপার্টমেন্ট নিয়ে-‘ জিততে হলে বা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলতে হলে আমাদের পেস বোলারদের অন্তত: ২০ উইকেটের মধ্যে ৮ উইকেট নিতে হবে। তা না হলে স্পিনারদের উপর নির্ভর করতে হবে, প্রতিপক্ষও জানবে আমাদের মূল শক্তি স্পিন। তারা ওই প্লানই প্ল্যান করবে। গত বছর শিপলু অনেক ভালো বোলিং করেছে। রুবেলও ভালো বোলিং করেছে। আল-আমিন আছে। তারা যদি এখানে ফিরে আসতে পারে। উইকেট না পেলেও ১-২টা উইকেট নিয়ে ইকোনমিক বল করতে পারে তাহলে স্পিনাররা চাপ দিতে পারবে।’
টি-২০ বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ডেই আফগানিস্তানকে পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মাটিতে এশিয়া কাপেও খেলার সুযোগ পেয়েছে এই আফগানিস্তান। তবে আফগানিস্তানকে নিয়ে ভাবতে রাজি নন বাংলাদেশ অধিনায়ক-‘টি-২০ বিশ্বকাপে তাদের সঙ্গে আমাদের খেলতে হবে এবং তার আগে তাদের সঙ্গে খেলতে পারলে সেটা হবে প্লাস পয়েন্ট। আমার মনে হয় খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ ম্যাচ খেলার সুযোগ পাব। আমাদের কন্ডিশনে আমরা যদি ভালো খেলি, তাদেরকে হারাই, তাহলে তাদের আত্মবিশ্বাস কমে যাবে। বিপিএলে তারা অনেকে খেলেছে, প্রিমিয়ার লিগেও খেলেছে। তাদের সবার সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা আছে।’
0 comments:
Post a Comment