
দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নূর মোহাম্মদ প্রথম আলোকে জানান, নিহত আনারুল উপজেলার নাংলা গ্রামের আবদুল হান্নানের ছেলে। তিনি দলের রুকন।
ঘটনা সম্পর্কে দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারক কুমার বিশ্বাসের ভাষ্য, সংঘবদ্ধ হয়ে স্থানীয় সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা চালাতে পারে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা—এমন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ বাহিনী আজ উপজেলার ঘোনাপাড়ায় অভিযানে যায়। এ সময় জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা বোমা ও ছররা গুলি ছুড়লে দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারক কুমার বিশ্বাস, উপপরিদর্শক (এসআই) তানভীর আহমেদ ও তিন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হন।
এ সময় যৌথ বাহিনীর সদস্যরা পাল্টা গুলি ছোড়েন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে যৌথ বাহিনী আনারুলকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিত্সা কর্মকর্তা (আরএমও) মারুফ হাসান প্রথম আলোকে আনারুল নিহত হওয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
দেবহাটা থানার ওসি আরও জানান, নিহত আনারুলের বিরুদ্ধে তিনটি হত্যা মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, ছয়টি কার্তুজ, দুটি রাম দা ও দুটি হাতবোমা উদ্ধার করা হয়েছে।
0 comments:
Post a Comment