
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ তাঁর জামিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ৭ জানুয়ারি আটক করা হয় খন্দকার মাহবুবকে। পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেওয়া, ভাঙচুর চালানো ও বোমা হামলায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ৫ জানুয়ারি রমনা থানায় করা একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এ মামলায় নিম্ন আদালতে জামিনের আবেদন করা হলে গতকাল বুধবার তা নাকচ হয়। এর বিরুদ্ধে আজ হাইকোর্টে জামিন আবেদনটি করা হয়।
তাঁর আইনজীবী মাসুদ রানা প্রথম আলোকে বলেন, রমনা থানায় করা এ মামলাটিতে জামিন মঞ্জুর হওয়ায় খন্দকার মাহবুবের কারামুক্তিতে কোনো বাধা নেই। আদালত জামিন মঞ্জুর করে রুল দিয়েছেন। কেন তাঁকে নিয়মিত জামিন দেওয়া হবে না, তা রুলে জানতে হওয়া হয়েছে। রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁর জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে বলেও জানান এই আইনজীবী।
হয়রানি-গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ
অন্যদিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কারাবন্দী খন্দকার মাহবুব হোসেনকে অন্য কোনো মামলায় হয়রানি বা গ্রেপ্তার না করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্টের অপর একটি বেঞ্চ।
আজ বৃহস্পতিবার খন্দকার মাহবুবের স্ত্রী ফরহাত হোসেন এক রিট আবেদন করলে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি হাবিবুল গণির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
খন্দকার মাহবুব হোসেনকে গ্রেপ্তারের পর ৮ জানুয়ারি তাঁকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করেন ঢাকার মহানগর হাকিম। রিমান্ডের আদেশ বাতিল চেয়ে করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৯ জানুয়ারি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রুল জারির পাশাপাশি এতে সাত দিনের স্থগিতাদেশ দেন।
১৬ জানুয়ারি আদালত স্থগিতাদেশের মেয়াদ দুই মাসের জন্য বাড়িয়ে ওই সময়ের মধ্যে অন্য কোর্টে রুল শুনানি করতে বলেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ জানুয়ারি বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ খন্দকার মাহবুব হোসেনকে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশকে বেআইনি ঘোষণা করে রায় দেন।
0 comments:
Post a Comment