
‘মামলাবাজ’...
এই ধারাবাহিকে আমার চরিত্রটি খুব জটিল প্রকৃতির। আমি সবাইকে যেকোনো সমস্যায় মামলা করতে উদ্বুদ্ধ করি, মামলায় জড়িয়ে ফেলি। দুই পক্ষকেই বলি, মামলা করুন! এর ফলে আমি নিজে লাভবান হই।
মামলা নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা...
আমাদের দেশের মানুষ ‘ঝামেলার’ ব্যাপারে খুব আগ্রহী। খেয়াল করবেন, রাস্তায় দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হলে মানুষ গোল হয়ে দাঁড়িয়ে তা উপভোগ করে! এটা খুবই আশ্চর্যজনক! এ কারণেই দেখা যায়, আমাদের দেশে প্রচুর সালিস বসে। আমার বাবার কাছ থেকে শুনেছি, আমাদের নাকি এক আত্মীয় ছিলেন এমন মামলাবাজ! একবার এক বিঘা জমি নিয়ে মামলা করে আট বিঘা জমি বিক্রি করে দিয়েছিলেন! শেষমেশ মামলায় জিতে সবাইকে দাওয়াতও খাইয়েছিলেন!
আরও যেসব কাজ করছি...
অস্ট্রেলিয়ায় ছিলাম তিন মাস। অনেক দিন ধরেই একটি ধারাবাহিক লিখছি। নাম রেখেছি তেমাথায় তেনারা থাকেন। ভূতের গল্পনির্ভর ধারাবাহিক। সময় পেলে আমি ও আমার বাহিনী হয়তো পরিচালনা করব এটি।
মঞ্চ থেকে দূরে...
এখন যখন পত্রিকায় কোনো মঞ্চনাটকের ছবি দেখি বা নাটক দেখতে যাই, তখন আমার মনটা বিষণ্ন হয়! সবাই কী সুন্দর সময় বের করে মঞ্চ-টিভি—দুটোই চালিয়ে যাচ্ছে; কিন্তু আমি পারছি না! মাঝেমধ্যে মনে হয়, আমি কেন গোছালো নই! আমার মন তো সব সময় পড়ে থাকে মঞ্চে।
আমার ভাই আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ সম্পর্কে অজানা কথা...
বড় ভাইয়ের প্রতিষ্ঠিত আজকের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের শুরু সম্ভবত আমাদের বাসা থেকেই। আমরা যখন অনেক ছোট, তখন বড় ভাই আমাদের জন্য রাজ্যের সব বই নিয়ে আসতেন। পড়তে বলতেন। আমরা পড়তাম। একবার গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটে গেছি। আমি তখন সম্ভবত প্রথম শ্রেণীতে পড়ি। বড় ভাই নবম বা দশম শ্রেণীতে। তো, ওই এলাকার একটা স্কুলে গেলাম একদিন। বড় ভাই গেলেন ক্লাস নিতে। সেদিন তাঁর কথা শুনে মুগ্ধ হয়েছিলাম। তাঁর ভেতরে আছে এক অসাধারণ শিক্ষক এবং তিনি মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে পারেন।
মাহফুজ রহমান
0 comments:
Post a Comment