
ইতালির বামপন্থী নেতা মাত্তিও রেনজি দেশটির এ যাবৎকালের সবচেয়ে কম বয়স্ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। পূর্বসূরি এনরিকো লেত্তার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক সংস্কারে ধীরগতিতে এগোনোর অভিযোগ এনে তাঁকে চাপ প্রয়োগ করে সরিয়ে আজ শনিবার তিনি প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেন। তাঁর বয়স ৩৯ বছর।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করে তাত্ক্ষণিক উন্নয়ন দেখাতে বেগ পেতে হবে রেনজিকে।
শপথ গ্রহণের পর রেনজি স্বল্প পরিসরের মন্ত্রিসভা গঠন করেন। তাঁর মন্ত্রীদের কেউই নেই, যে তাঁর সরকারকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। তাই রেনজির কাজের ওপরই নির্ভর করবে তাঁর সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতা।
রেনজির ১৬ সদস্যের মন্ত্রিসভার সদস্যদের বেশির ভাগের গড় বয়স ৪৮ বছর। এটি ইতালির সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সীদের মন্ত্রিসভায় পরিণত হয়েছে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের অর্ধেকই নারী।
বিশ্লেষকদের মতে, কম বয়সী মন্ত্রীদের নিয়ে নতুন পরিসরে শুরু করলেও অর্থনৈতিক সমস্যা মোকাবিলায় হিমশিম খেতে হবে রেনজিকে। বিশেষত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ধস ও ২০ হাজার কোটি ইউরো ঋণের বোঝা কমানোর বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে রেনজির জন্য।
শপথ গ্রহণের পর রেনজি স্বল্প পরিসরের মন্ত্রিসভা গঠন করেন। তাঁর মন্ত্রীদের কেউই নেই, যে তাঁর সরকারকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। তাই রেনজির কাজের ওপরই নির্ভর করবে তাঁর সরকারের সাফল্য-ব্যর্থতা।
রেনজির ১৬ সদস্যের মন্ত্রিসভার সদস্যদের বেশির ভাগের গড় বয়স ৪৮ বছর। এটি ইতালির সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সীদের মন্ত্রিসভায় পরিণত হয়েছে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের অর্ধেকই নারী।
বিশ্লেষকদের মতে, কম বয়সী মন্ত্রীদের নিয়ে নতুন পরিসরে শুরু করলেও অর্থনৈতিক সমস্যা মোকাবিলায় হিমশিম খেতে হবে রেনজিকে। বিশেষত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ধস ও ২০ হাজার কোটি ইউরো ঋণের বোঝা কমানোর বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে রেনজির জন্য।
0 comments:
Post a Comment