
নিজ মুখেই দোষ স্বীকার করেছেন। স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে মোহাম্মদ আশরাফুল যে দোষী সাব্যস্ত হবেন, সেটা আগেই জানা গিয়েছিল। অপেক্ষা ছিল অভিযুক্ত বাকিদের ব্যাপারে। আজ ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্ত সবার কাছেই চিঠির মাধ্যমে তাদের রায় জানিয়ে দিয়েছে। তাতে আশরাফুলসহ আরও দুজনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এঁদের শাস্তি কী হবে, তা অবশ্য এখনো জানানো হয়নি।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড গঠিত ট্রাইব্যুনাল শুধু বিপিএল স্পট ফিক্সিংয়ের ব্যাপারে তাদের রায় দিয়েছে। ক্রিকইনফোর খবরে বলা হয়েছে, আশরাফুল ছাড়াও ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের অন্যতম সত্ত্বাধিকারী শিহাব জিসান চৌধুরী এবং আরেকজন খেলোয়াড়ের। সেই ‘আরেকজন খেলোয়াড়’ কে, সেটি অবশ্য এখনও জানা যায়নি।
ট্রাইব্যুনালের রায়ে বাংলাদেশের বাকি দুই ক্রিকেটার মাহবুবুল আলম ও মোশারফ হোসেন; ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের আরেক সত্ত্বাধিকারী সেলিম চৌধুরী, গ্ল্যাডিয়েটরসের প্রধান নির্বাহী গৌরব রাওয়াত, বোলিং কোচ মোহাম্মদ রফিক বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। আগামীকাল ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের রায় ঘোষণা করবে। দুই ক্রিকেটার মাহবুবুল ও মোশারফের ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হয়ে। এই দুজনের ক্রিকেটে ফিরতে আর বাধা নেই। আশরাফুল কী শাস্তি পেতে যাচ্ছেন, কত দিন পর ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন—তা এখনো নিশ্চিত নয়।
বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে ফিক্সিংয়ের দায়ে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরসের বেশ কজন ক্রিকেটার ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গত বছরের ১৩ আগস্ট অভিযোগ আনে আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ইউনিট—আকসু। এরপর গত ২৪ নভেম্বর বিপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়। কয়েক দফায় শুনানিতে মোহাম্মদ রফিক ছাড়া অভিযুক্তদের বাকি সবাই হাজিরা দিয়েছেন। ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করা আশরাফুলসহ নয় অভিযুক্তরা পেয়েছেন নিজ নিজ রায়ের কপি।
আইসিসি ও বিসিবি যৌথ বিবৃতি দিয়ে বলেছে, এই রায়ে তারা ‘হতাশ’ ও ‘বিস্মিত’। হতাশা এবং বিস্ময়ের কারণ অবশ্য সংক্ষিপ্ত সেই বিবৃতিতে ব্যাখ্যা করা হয়নি।
0 comments:
Post a Comment