
ময়নাতদন্তের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারের উপ-কারারক্ষক আবিদ আলী আজ রোববার সন্ধ্যায় লাশ স্বজনের কাছে হস্তান্তর করেন।
ইউসুফের মেয়েজামাই আবদুল ওয়াহাব প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, লাশ এখন মরহুমের ধানমণ্ডির বাসভবনে রাখা হয়েছে। তাঁর ছেলে- মেয়েরা দেশে ফিরলে দাফনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর লাশের ময়নাতদন্ত হয়।কলেজের ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এ কে এম শফিউজ্জামান ময়নাতদন্ত করেন।রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছিল।জামায়াতের এই নেতার দেহে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিত্সাধীন অবস্থায় ১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ কে এম ইউসুফের (৮৯) মৃত্যু হয়। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে লাশ ময়নাতদন্ত না করতে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হলেও ট্রাইব্যুনাল তা নাকচ করে দেন।পরে ময়নাতদন্তের জন্য বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক আবদুল মজিদ ভূঁঁইয়া জানান, গুরুতর হূদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। তাঁর ‘ব্লাড প্রেশার ও পালস’ (রক্তচাপ ও স্পন্দন) পাওয়া যাচ্ছিল না। হাসপাতালের হূদরোগ বিভাগের সিসিইউতে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
ইউসুফের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশে বলা আছে, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি রাজাকার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা ও খুলনা শান্তি কমিটির প্রধান ছিলেন।
0 comments:
Post a Comment