
সরকারের কাছে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সঠিক তালিকা নেই। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ কথা জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
এর আগে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদে অধিবেশন শুরু হয়।
শহীদ বুদ্ধিজীবী-সম্পর্কিত আওয়ামী লীগের সাংসদ এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মোজাম্মেল হক বলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সঠিক তালিকা মন্ত্রণালয়ে নেই। তবে সঠিক তালিকা সংগ্রহের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। জুনের মধ্যে এই তালিকা প্রকাশ করা হবে।
আওয়ামী লীগের সাংসদ ছবি বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সব শ্রেণীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ‘বঙ্গবন্ধু ছাত্রবৃত্তি’ প্রবর্তন করা হয়েছে। ২০১২ সালে যাঁরা এইচএসসি পাস করেছেন, তাঁদের প্রথম ব্যাচ ধরে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নের জন্য বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে মাসিক এক হাজার টাকা হারে বৃত্তি দেওয়া হবে। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের ওপর দেশের অভ্যন্তরে পিএইচডি করার জন্য প্রতি বছর দুজনকে এ বৃত্তি দেওয়া হবে।
হাবিবুর রহমান মোল্লার প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন বলেন, সম্প্রতি হরতাল ও অবরোধে সারা দেশে নির্বিচারে গাছ নিধনের ঘটনা ঘটেছে। গত এক বছরে বন বিভাগের ১৪ হাজার ২৭০টি গাছ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে। এ বিষয়ে সারা দেশে ১৪২টি মামলা হয়েছে। বন বিভাগ ছাড়াও সড়ক ও জনপথ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ, সিটি করপোরেশন, ইউনিয়ন পরিষদ এবং বিভিন্ন এনজিওর বিপুল পরিমাণ গাছ কাটা হয়েছে। মন্ত্রী গাছ নিধনকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনের বিধান আরও কঠোর করা যেতে পারে বলে মত দেন।
সাধন চন্দ্র মজুমদারের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সব উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর আওতায় পাঁচটি উপজেলায় ভবন নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। ৫৮টি উপজেলায় নির্মাণকাজ চলমান। এক হাজার ৭৮ কোটি টাকা সম্ভাব্য ব্যয়ের এই প্রকল্প ২০১৫ সালের জুনে শেষ হবে।
0 comments:
Post a Comment