
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দুর্বৃত্তরা পেট্রল দিয়ে একটি ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। এতে পুড়ে গেছেন এক নারী ও তাঁর নানি। পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী উত্ত্যক্তকারী যুবক এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
আজ শুক্রবার ভোরে হাকিমপুর পৌর শহরের চণ্ডীপুরে এ ঘটনা ঘটেছে। আগুনে ওই নারীর বাম চোখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে। তাঁর নানির বাম হাতের কবজি পর্যন্ত পুড়ে গেছে।
অগ্নিদগ্ধ নারী ও তাঁর নানিকে হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কোনো চিকিত্সক না থাকায় তাঁদের প্রথমে জয়পুরহাট সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার শিকার নারীর মামা সাইদুল ইসলাম জানান, ওই নারীর বাড়ি জয়পুরহাট জেলায়। তিনি নানির বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। জয়পুরহাটে সায়েম নামের এক প্রতিবেশী যুবক তাঁকে উত্ত্যক্ত করত। সে বিভিন্ন সময়ে তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে ভয় দেখাতে শুরু করে। এক সপ্তাহ আগে ওই নারী নানির বাড়ি বেড়াতে আসেন। উত্ত্যক্তকারী সায়েমও তার নানির বাড়িতে যায়। সম্প্রতি সায়েম মোটরসাইকেল নিয়ে ওই নারীর নানির বাড়ির আশেপাশে মহড়াও দিয়েছে। কিন্তু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সায়েম ঘরের টিনের চালের ফাঁক দিয়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ওই নারী ও তাঁর নানি দগ্ধ হন।
ওই নারীর খালাতো ভাই জাকিরুল ইসলাম জানান, মেয়েটি স্থানীয় একটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর অগ্নিদগ্ধদের চিত্কারে প্রতিবেশীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। এ সময় তাঁরা কয়েকজন যুবককে তিনটি মোটরসাইকেল নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে দেখেন।
হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সক না থাকার ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চিকিত্সক সোলায়মান আলী জানান, তিনি হাসপাতালের আবাসিক ভবনে থাকেন না। বিরামপুরে থাকেন। হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনি ছাড়া কোনো চিকিত্সক নেই। তাই অত ভোরে ওই রোগীকে চিকিত্সা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে
অগ্নিদগ্ধ নারী ও তাঁর নানিকে হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কোনো চিকিত্সক না থাকায় তাঁদের প্রথমে জয়পুরহাট সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার শিকার নারীর মামা সাইদুল ইসলাম জানান, ওই নারীর বাড়ি জয়পুরহাট জেলায়। তিনি নানির বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। জয়পুরহাটে সায়েম নামের এক প্রতিবেশী যুবক তাঁকে উত্ত্যক্ত করত। সে বিভিন্ন সময়ে তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে ভয় দেখাতে শুরু করে। এক সপ্তাহ আগে ওই নারী নানির বাড়ি বেড়াতে আসেন। উত্ত্যক্তকারী সায়েমও তার নানির বাড়িতে যায়। সম্প্রতি সায়েম মোটরসাইকেল নিয়ে ওই নারীর নানির বাড়ির আশেপাশে মহড়াও দিয়েছে। কিন্তু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সায়েম ঘরের টিনের চালের ফাঁক দিয়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ওই নারী ও তাঁর নানি দগ্ধ হন।
ওই নারীর খালাতো ভাই জাকিরুল ইসলাম জানান, মেয়েটি স্থানীয় একটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর অগ্নিদগ্ধদের চিত্কারে প্রতিবেশীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। এ সময় তাঁরা কয়েকজন যুবককে তিনটি মোটরসাইকেল নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে দেখেন।
হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সক না থাকার ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চিকিত্সক সোলায়মান আলী জানান, তিনি হাসপাতালের আবাসিক ভবনে থাকেন না। বিরামপুরে থাকেন। হাকিমপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনি ছাড়া কোনো চিকিত্সক নেই। তাই অত ভোরে ওই রোগীকে চিকিত্সা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবিব জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে
0 comments:
Post a Comment