তারিকুল ইসলাম শান্তর চলে যাওয়ার এক বছর হয়ে গেল। ব্যাপারটা এখনো যেন ঠিক বিশ্বাস হয় না। এত অল্প বয়সে শান্ত সত্যিই চলে গেল? এত প্রতিভাবান একটা ছেলে। এখনো চোখে ভাসে... ৮০ সালের কথা, উন্মাদ-এর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর অফিসে শান্ত এসেছে... টাঙ্গাইল থেকে, শান্তশিষ্ট সুদর্শন এক কিশোর। কিন্তু ড্রইং অসাধারণ। এত অল্প বয়সে এত সুন্দর আঁকে, তা-ও আবার কার্টুন। অনেক বিদগ্ধ শিল্পীও কার্টুন আঁকতে পারে না। কিন্তু কিশোর বয়সে কার্টুন এঁকেই শান্ত ক্ষান্ত দেয়নি। সে কমিকস এঁকেছে একের পর এক। প্রথমে সাইদ বারীর সূচিপত্র প্রকাশনী থেকে বেরোত তার কমিকস (তখন সাইদ বারির সূচিপত্র ছিল একমাত্র কমিকস প্রতিষ্ঠান)। তারপর সে নিজেই একটা কমিকস প্রতিষ্ঠান দিয়ে বসল, নাম ‘কল্পদূত’। প্রতি একুশের বইমেলায় কল্পদূতের স্টল থাকত। প্রচুর বিক্রি হতো তার কমিকস।না, তারপর আর শান্তকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। সে কমিকস এঁকেছে, উপন্যাস লিখেছে। অন্যদের বই প্রকাশও করেছে তার প্রতিষ্ঠান থেকে। নিজের কমিকস ক্যারেক্টার নিয়ে কার্টুন অ্যানিমেশন করেছে।শেষের দিকে সে হয়ে উঠল নাট্যকার। পরিচালক, আরও অনেক কিছু। সেই প্রতিভাবান তরুণ তারিকুল ইসলাম শান্ত আর নেই।তার মৃত্যু ( মৃত্যু শব্দটা লিখতে চাই না। তার বেলায় এই শব্দটা যেন কিছুতেই যায় না) বাংলাদেশের কার্টুন কমিকসের ক্ষেত্রে এক বিশাল ক্ষতি। এখনকার তরুণ কার্টুনিস্টরা বুঝতে পারবে কি না, জানি না। আসলে একজন শান্ত হঠাত্ করে তৈরি হওয়া সম্ভব না। তার পরও আমাদের শান্ত হয়েছে... হয়েছিল।কে জানে সেই বিখ্যাত বাক্যটি বোধ হয় শান্তর জন্যই ঠিক আছে...এলামদেখলামজয় করলাম( ... এবং চলে গেলাম)।প্রিয় শান্ত যেখানেই থাকো, ভালো থাকো।
Thank you for visited me, Have a question ? Contact on : youremail@gmail.com.
Please leave your comment below. Thank you and hope you enjoyed...
0 comments:
Post a Comment