
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে তদন্তের ভিত্তিতে যে-ই দায়ী হোক না কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া আইনি বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
আজ সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘রাজশাহীতে যে ঘটনা ঘটেছে তাতে আমি দুঃখিত, উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ।’ এর পরও বিশ্ববিদ্যালয় যাতে দ্রুত খুলে দেওয়া যায়, সে জন্য ব্যবস্থা নিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এই আন্দোলনে শিবিরও যুক্ত হয়ে গোলমালের চেষ্টা করেছে। তবে তদন্তে যে-ই দোষী হবে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় সাংবাদিকেরা প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের অস্ত্র ব্যবহার করার বিষয়টি তুলে ধরলে শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ বলেন, যে-ই দোষী হবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, এ ব্যাপারে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটির তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘রাজশাহীতে যে ঘটনা ঘটেছে তাতে আমি দুঃখিত, উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ।’ এর পরও বিশ্ববিদ্যালয় যাতে দ্রুত খুলে দেওয়া যায়, সে জন্য ব্যবস্থা নিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এই আন্দোলনে শিবিরও যুক্ত হয়ে গোলমালের চেষ্টা করেছে। তবে তদন্তে যে-ই দোষী হবে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় সাংবাদিকেরা প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের অস্ত্র ব্যবহার করার বিষয়টি তুলে ধরলে শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ বলেন, যে-ই দোষী হবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, এ ব্যাপারে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটির তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্ধিত ফি প্রত্যাহার ও সন্ধ্যাকালীন মাস্টার্স কোর্স বন্ধের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গত মঙ্গলবার থেকে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে গত বৃহস্পতিবার থেকে ‘বর্ধিত ফি ও বাণিজ্যিক সান্ধ্য কোর্সবিরোধী’ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ব্যানারে তাঁরা ক্যাম্পাসে ধর্মঘট পালন করছিলেন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত শনিবার বর্ধিত ফি কার্যকর স্থগিত ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে ফি পুরোপুরি প্রত্যাহার এবং সন্ধ্যাকালীন কোর্স বাতিল না করায় আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল রোববার আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে চড়াও হন। এ সময় তাঁদের অনেককে গুলি করতে ও ইটপাটকেল ছুড়তে দেখা গেছে। একপর্যায়ে পুলিশ রাবার বুলেট, ছররা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।
0 comments:
Post a Comment