Sporty Magazine official website |

নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হচ্ছে: কমিশন সচিব

Wednesday, February 19, 2014

Share this history on :
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সারা দেশে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হচ্ছে। কত শতাংশ ভোট পড়েছে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনই তা বলা যাচ্ছে না। ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের অভিযোগে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ও ঢাকার নবাবগঞ্জের একটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে আজ বুধবার বেলা সোয়া তিনটার দিকে নির্বাচন কমিশনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সিরাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

বিভিন্ন কেন্দ্র দখল, ব্যালট পেপার ও বাক্স ছিনতাই, ভোটে কারচুপি—বিএনপির প্রার্থীদের এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার জন্য কমিশন সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে। কাউকে যেন ছাড় দেওয়া না হয়, সেজন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে প্রতিটি কেন্দ্রে জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। ব্যাপক কারচুপির কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি।’
চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম দফায় ৯৭টি উপজেলায় সকাল আটটায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত।

তবে বিভিন্ন অভিযোগে ঝিনাইদহের শৈলকুপা, বরিশালের গৌরনদী, ভোলার লালমোহন, পাবনার সুজানগর উপজেলায় বিএনপি-সমর্থিত ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা এবং সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

একই সঙ্গে শৈলকুপা, গৌরনদী ও সুজানগরে কাল বৃহস্পতিকাল হরতাল ডেকেছে উপজেলা বিএনপি। এ ছাড়া ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার একটি কেন্দ্রে ও ঝিনাইদহের শৈলকুপার একটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে যশোরের একটি কেন্দ্র দখল নিয়ে সেখানে আধঘণ্টার জন্য ভোট গ্রহণ স্থগিত ছিল।
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে সকাল থেকে গোলযোগের খবর পাওয়া গেছে।

বিরোধী দল ছাড়াই একতরফাভাবে গত ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে ব্যাপক সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। উপজেলা নির্দলীয় নির্বাচন হলেও অনানুষ্ঠানিকভাবে এ নির্বাচনে সব দল অংশ নিচ্ছে। এতে এই নির্বাচনে একটি উত্সবের আমেজ তৈরি হয়েছে। ৯৭টি উপজেলার মধ্যে অন্তত ৪০টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আছেন।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৯৭টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪২৯, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫০৫ ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩২৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এসব উপজেলার মোট ভোটারসংখ্যা এক কোটি ৬২ লাখ ১৫ হাজার ৪৩৭। এর মধ্যে নারী ভোটার ৮১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩ এবং পুরুষ ৮০ লাখ ৬১ হাজার ৩৮৪ জন। পাঁচ বছর পর উপজেলা নির্বাচন হচ্ছে।
প্রথম ধাপের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছয় হাজার ৯৯৫টি।
Thank you for visited me, Have a question ? Contact on : youremail@gmail.com.
Please leave your comment below. Thank you and hope you enjoyed...

0 comments:

Post a Comment