
অবিলম্বে যৌথ বাহিনীর অভিযান বন্ধের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। এই অভিযান বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের হত্যা করে দেশকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি।
আজ বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এ কথা বলেন। তিনি বলেন, যৌথ বাহিনীর অভিযানের নামে সারা দেশে প্রতিদিন বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ধরে নিয়ে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হচ্ছে।
রিজভী বলেন, ‘গুম হয়ে যাওয়ার কয়েক দিন পর তাদের রক্তাক্ত লাশ ডোবা-নালা অথবা নদীর চরে পাওয়া যাচ্ছে। এসব লাশ আমরা রাখব কোথায়? সরকার দেশকে এক ভয়ংকর মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে।’
রিজভী কয়েকটি হত্যার ঘটনা তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, কয়েক দিন আগে সিরাজগঞ্জের সায়েদাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের নেতা জবানকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে যায়। আজ বৃহস্পতিবার তার লাশ পাওয়া গেছে। সিরাজগঞ্জের বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর ১৫ দিন ধরে নিখোঁজ। লক্ষ্মীপুরের নেতা ওমর ফারুককে কয়েক দিন আগে র্যাব তুলে নিয়ে গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতারাও বিএনপি ও ১৯-দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। পুলিশের পোশাক পরে আওয়ামী লীগের ক্যাডাররা ফেনীর পরশুরাম উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তালেবসহ নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, যে সরকারের প্রতি মানুষের সমর্থন নেই, তারা তো মানুষকে সন্ত্রাসীই বলবেন। টিক্কা খান এই দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের দুষ্কৃতকারী বলেছিলেন। তিনি বলেন, ‘এই সরকারের ওপরও পাকিস্তানের প্রেতাত্মা ভর করেছে।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ, আসাদুল করীম, নির্বাহী কমিটির সদস্য বেলাল আহমেদ, যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি মনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
0 comments:
Post a Comment